তাজা খবরথানার সংবাদনারায়ানগঞ্জ সদর থানারাজনীতিশীর্ষ সংবাদসম্পাদকের পছন্দ

রূপগঞ্জে নেতৃবৃন্দের উপর হামলার নিন্দা জেলা জামায়াতের

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভার বিরাব এলাকায় জামায়াত নেতৃবৃন্দের ওপর হামলার নিন্দা ও দোষীদের শাস্তি দাবী

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উত্তর সাংগঠনিক থানার আমীর মাহফুজুল ইসলাম আবদুল মজিদসহ নেতৃবৃন্দ ও কর্মীদের ওপর হামলা আহত করা এবং বেশ কয়েকজন কর্মীকে মারপিট করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং দোষীদের শাস্তি দাবী করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ জেলা আমীর মুহাম্মদ মমিনুল হক সরকার এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ জেলা সেক্রেটারী মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান এক যৌথ বিবৃতি প্রদান করেন।

বিবৃতিতে তারা বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক সংগঠন। একটি দায়িত্বশীল সংগঠন হিসেবে জন সব সম্প্রদায়ের মানুষের সূখে দুঃখে তাদের পাশে থাকা জামায়াতে ইসলামীর অন্যত কর্মসূচী। এই কর্মসূচীর অংশ হিসেবে নেতৃত্বে জামায়াতে ইসলামী নেতৃবৃন্দ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে সাক্ষাৎ ও তাদের সাথে মত বিনিময় এবং তারৈল পূজা ম-পের খোজ খবর নিয়ে ফেরার পথে স্থানীয় বি এন পি কর্মী সাখাওয়াত হোসেন সাকা,উজ্জ্বল, জামান,বাবুল,সেলিম, সুজন,রাব্বি,আজিম,মোজাম্মেলের নেতৃত্বে বি এন পির কর্মী পরিচয়দানকারী কতিপয় উচ্ছৃঙ্খল লোক তাদেরকে পথ রোধ করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে শারিরীকভাবে লাঞ্চিত করে এবং একই দিনে তারা জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের ভয় ভীীত প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহড়া দেয় এবং আগামী নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী আনোয়ার হোসাইন মোল্লার অনেকগুলো ফেস্টুন ভাঙচুর করে ও ছিড়ে ফেলে দেয়।

বিবৃতিতে তারা বলেন, দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামের পর দেশবাসী মত প্রকাশ ও গণতন্ত্র চর্চার অবাধ ও মুক্ত পরিবেশের প্রত্যাশা করেছিল। জুলাই আন্দোলনসহ দীর্ঘ সতেরো বছরের লড়াই সংগ্রামে অসংখ্য মানুষের জীবন অঙ্গহানি শাহাদাত আর ত্যাগের বিনিময়ে যে মুক্ত বাংলাদেশ পেয়েছি সেই বাংলাদেশে এভাবে একটি রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও কর্মী বাহিনীকে পথরোধ করে লাঞ্ছিত করা, কর্মীদেরকে মারধর করা অস্ত্রের মহড়া দেয়া আইন ও গণতন্ত্রের সাথে যায় না। তাদের এই কর্মকা- আইন মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক রাজনীতির সম্পূর্ণ বিপরীত।

বিবৃতিতে নেতৃদয় আরো বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে যেখানে সকলের কাছে গণতান্ত্রিক এবং ন্যায়নুগ আচরণ কাম্য সেখানে একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলের কর্মী পরিচয়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতা কর্মীদের সাংগঠনিক কাজে বাঁধা প্রদান, তাদেরকে শারিরীকভাবে লাঞ্ছিত করা, ফেস্টুন ভেঙে ফেলা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না। তাদের এই ন্যাক্কারজনক ও সন্ত্রাসী কর্মকা-ের আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি, একই সাথে গণতান্ত্রিক রাজনীতির স্বার্থে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে তাদের কর্মীদেরকে এই ধরণের ঘৃণ্য কাজ হতে বিরত রাখার জন্য আহ্বান জানান।

Related Articles

Back to top button