তাজা খবরথানার সংবাদফতুল্লা থানারাজনীতিশীর্ষ সংবাদসম্পাদকের পছন্দ

রিয়াদ ও রুহুল কে ইঙ্গিত করে ৫ ই আগষ্টের পর আপনারা ফতুল্লায় কি করেছেন তা ফতুল্লা বাসী  জানে – মন্টু মেম্বার

ফতুল্লা প্রতিনিধিঃ
এবার নারায়ণগঞ্জ জেলার শ্রমিক দলের সভাপতি মন্টু মিয়া মেম্বার বিস্ফোরক মন্তব্য ফতুল্লা থানা বিএনপির দুই নেতার উদ্দেশ্য করে গত ৫ ই আগষ্টের পর ফতুল্লায় আপনারা কি করেছেন তা ফতুল্লা বাসি জানে।
সাম্প্রতিক নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের তক্কার মাঠ এলাকায় বাইতুল আমান কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের কমিটিকে নিয়ে শ্রমিক নেতা মন্টু মেম্বার ও ফতুল্লা থানা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন সিকদারের মধ্যে চলছে দ্বন্দ্ব।
আর এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একে অপরের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করছেন যা এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম খুললেই দেখা যাচ্ছে। বেশ কয়েকদিন যাবতই বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফতুল্লা থানা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন সিকদার শ্রমিক নেতা মন্টু মেম্বরের বক্তব্যকে দলীয় কোন্দল ও মব সৃষ্টি করছেন বলে দাবি করছেন।
তারই ধারাবাহিকতায় গত ১১ই জুলাই নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের তক্কার মাঠ এলাকায় শ্রমিক নেতা মন্টু মেম্বারে নিজ বাসভবনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন ‘চোরের মার বড় গলা’ গত ৫ ই আগষ্টের পর ফতুল্লায় তারা কি করেছেন তা কিন্তু ফতুল্লা বাসি জানে।
এমন মন্তব্য কে বিস্ফোরক হিসেবে নিয়েছেন সাধারণ মানুষ তবে মন্টু মেম্বার এর বক্তব্যে বোঝা যাচ্ছে তিনি ফতুল্লা থানা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন সিকদার ও সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদ মোঃ চৌধুরী কে উদ্দেশ্য করে এই বক্তব্য দেন।
গত ১ নভেম্বর ২০২৪ থেকে ১নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বাইতুল আমান কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল, হঠাৎ করেই ৩ই জুলাই রোজ শুক্রবার বাদ জুম্মায় ফতুল্লা থানা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন সিকদার বাইতুল আমান কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ কমিটি মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ১৭ জনের একটি উপদেষ্টা কমিটি নাম ঘোষণা করেন।
তবে সেই দিন মসজিদে বাইতুল আমান কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সভাপতি শ্রমিক নেতা মন্টু মেম্বার উপস্থিত ছিলেন না এবং তাকে কোন কিছু না জানিয়েই এরকম একটি উপদেষ্টা কমিটি করায় তিনি ক্ষিপ্ত হন।
তারপর থেকেই শ্রমিক দলনেতা মন্টু মেম্বার ও বিএনপি নেতা রুহুল এর মধ্যে দেখা দিয়েছে কোন্দল  একে অপরের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে করছেন বিরূপ মন্তব্য।মন্টু মেম্বার আরো বলেন রুহুল আমিন সিকদারের বাড়ি ফতুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ডে, বাইতুল আমান জামে মসজিদ কুতুবপুর ইউনিয়ন ৮নং ওয়ার্ড  তক্কারমাট এলাকায় অবস্থিত।
কোন অদৃশ্য ক্ষমতার বলে তিনি টক্কার মাঠে এসে কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই উপদেষ্টা কমিটি গঠন করেন তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে মসজিদ কমিটি ও সাধারণ মানুষের মাঝে। তাছাড়া বেশ কয়েকটি পত্রিকায় ও অনলাইনে আমার বিরুদ্ধে একটি জমি দখলের সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, প্রকৃতপক্ষে আমি এই জমিটির বায়না সূত্রের মালিক যার কাগজপত্র আমার কাছে রয়েছে।
এরা নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে অন্যের উপরে দোষ চাপিয়ে দেয়,এ বিষয়ে জানতে ফতুলা থানা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন সিকদার কে ফোন করলে তার মুঠোফোনে বন্ধ পাওয়া যায়।

Related Articles

Back to top button