শিবু মার্কেটের ভূমিদস্যু ফারুক, কাশেম, রোজিনা গংদের বিচার চাইলেন বৃদ্ধা ফিরোজা বেগম

খবর নারায়ণগঞ্জ.কম:
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার শিবু মার্কেট পশ্চিম লামাপাড়া এলাকার চিহ্নিত ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসী মোঃ ফারুক,কাশেম আলী কাশেম,সুমন,রোজিনা গং কর্তৃক জোরপূর্বক জমি দখল করা হতে জমি উদ্ধার এবং বিচার চেয়েছেন বৃদ্ধা ফিরোজা বেগম।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল সাড়ে ১০ টায় নারায়ণগঞ্জ জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, জেলা প্রশাসক রায়হান কবির ও পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সির হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বৃদ্ধা ফিরোজা বেগম কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, জোত সুত্রে কুতুবপুর মৌজার দাগ নং-এসএ ৩৬৪, আর এস ৭৫৪ দাগের ১১ শতাংশ জমির মালিক হয়ে ভোগ দখল করে আসছি। আমি গত ১০ বছর যাবত আমার দেবরের ছেলে ফারুক-কাশেম আলী গং আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে সাড়ে ৮ শতাংশ জমি জোর পূর্বক দখল করে রেখেছে।
২০২৪ সালে ৫ আগষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে আওয়ামী লীগের দোসর ফারুক ও কাশেম গং-এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। ৮ আগষ্ঠ আমি আমার জমি ঝুঝে নিয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপন করে আসছিলাম। চলতি বছর রমজানের ২৭ রোজায় ফারুক,রোজিনা, কাশেম আলী গং পূর্ণরায় আমার বাড়ি দখল করে সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে সকালে।
সেদিনই বিকালে আমি এলাকাবাসীকে নিয়ে আমার বাড়ি ও জমি দখল মুক্ত করি। এ ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে আওয়ামী লীগের দোসর কাশেমের মেয়ে রোজিনা সাংবাদিক ভাইদের কাছে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাহেবের দৃষ্টি আকর্ষন করে সরকারী অনুদান গ্রহন করে।
আমি আওয়ামী লীগের ১৭ বছর নিজে ঘর বাড়ি ছেড়ে পরিবার পরিজন নিয়ে পালিয়ে বেড়েয়েছি।
এখন আওয়ামী লীগের দোসর ফারুক, কাশেম আলী,সুমন,বরিশাইল্লা কাশেম,রোজিনা,জোসনা,শায়লা ও ফারুকের শাশুড়ী বিএনপির পরিচয় দিয়ে আমার বসত বাড়ি ও জমি দখলে রেখেছে।
প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা আমি আপনাদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, ডিসি ও এসপি মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন জানাচ্ছি।
বিএনপির লোক নাকি তাদের কাছে চাঁদা চাইছে।কোন নেতা চাঁদা চাইছে আমি জানতে চাই।
যেন সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষ আওয়ামী দোসর ফারুক- কাশেম আলী গংদের হাত থেকে জমি উদ্ধার এবং আমার ও পরিবারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ২টি মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও দোষীদের অনতিবিলম্বে আইনের আওতায় আনার জোর দাবী জানাচ্ছি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ফিরোজা বেগমের ছেলে আনোয়ার হোসেন, মোঃ আনিস মিয়া,ছেলের বউ জিয়াসমিন ও মিতু।



