মিটফোর্ডে ব্যবসায়ীকে নৃশংসভাবে হত্যা: যুবদল সংশ্লিষ্ট ২ জন গ্রেপ্তার, ১৯ জনের নামে মামলা

রাজধানীর পুরান ঢাকার মিটফোর্ড এলাকায় চাঞ্চল্যকর সোহাগ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে শনাক্ত করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা হিসেবে চিহ্নিত মাহমুদুল হাসান মহিন ও তারেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, নিহত সোহাগ স্থানীয়ভাবে ভাঙারি ও পুরোনো বৈদ্যুতিক কেবলের ব্যবসার সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করতেন। এই নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে চাঁদাবাজি ও দখল প্রচেষ্টায় তার ওপর হামলা হয়।
ঘটনার দিন সন্ধ্যায় ‘ঝামেলা মেটাতে’ সোহাগকে বাসা থেকে মিটফোর্ড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই ওঁত পেতে থাকা হামলাকারীরা প্রকাশ্যে কুপিয়ে ও পিটিয়ে তাকে হত্যা করে। ভাইরাল হওয়া সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সোহাগের নিথর দেহ সড়কে এনে উপর্যুপরি হামলা চালায় কয়েকজন যুবক।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলাকারীরা ৩০ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। হত্যার পর কোতোয়ালি থানায় নিহতের বোন বাদী হয়ে ১৯ জনের নাম উল্লেখসহ ১৫-২০ জন অজ্ঞাতপরিচয়ের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
