সামেদ আলী আমার শেল্টারে ছিলো না – শওকত আলী
খবর নারায়ণগঞ্জ.কম: নারায়নগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলী ইউনিয়নের আকবরনগর গ্রামের দূর্র্ধষ সন্ত্রাসী ২ টি হত্যা,একটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত সহ প্রায় ৩০ টি মামলার আসামী সামেদ আলী বাহিনীর হুমকির মুখে শওকত আলী চেয়ারম্যানের জীবন। এমন সংবাদ প্রকাশের পর বক্তাবলীসহ জেলাজুড়েই চলছে জল্পনা-কল্পনা।
জানা যায়, বক্তাবলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবং ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব এম শওকত আলী। শওকত আলী বিগত ৩০ বছরের বেশী সময় যাবত জয়নাল মন্ডল, খলিল হত্যা মামলার আসামী দূর্র্ধর্ষ সন্ত্রাসী সামেদ আলীকে শেল্টার দিয়ে এসেছেন। মূলত তার শেল্টারেই দিনে দিনে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন সামেদ আলী এবং তার ছেলেরা। এখন তারা বক্তাবলীর মূর্তিমান আতংক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। সামেদ আলীর পুত্র ওসমান
গনি,রাজিব,সজীব,আরিফ,রাজু যে কোন দেশীয় ও বিদেশী অস্ত্র পরিচালনায় পারদর্শী। সামেদ আলী বাহিনী এমন কোন কাজ নেই করেনা। খুন,ধর্ষন,চাঁদাবাজি,ভূমিদস্যুতা থেকে রক্ষা পায়নি ভূক্তভোগীরা।
এই সামেদ আলী বাহিনীর উৎথানের পিছনে রয়েছে শওকত আলী চেয়ারম্যানের শতভাগ অবদান। তার শেল্টার পেয়ে সামেদ আলী এই পর্যায়ে এসে পৌছেছে বলে মনে করেন এলাকাবাসী।
প্রায় ৩ বছর আগে শিষ্য সামেদ আলীর পুত্ররা শওকত আলী চেয়ারম্যানের নিজ বাড়িতে হামলা চালিয়ে তার স্বজনদের মারধর করে বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। সেই ঘটনার পর থেকে সামেদ আলীর সাথে শওকত আলী চেয়ারম্যানের দুরত্ব সৃষ্টি হয়। ২ বছর সামেদ আলীর বাহিনীর লোকজন এলাকা ছাড়া ছিল। স্থানীয় সংসদ সদস্যের ঘনিষ্ঠ এক নেতা ও পুলিশকে ম্যানেজ করে বর্তমানে সামেদ আলী বাহিনী আকবরনগরে অবস্থান করলেও তার চির শত্রু রহিম হাজ্বীর লোকজন এখন রয়েছে আকবরনগর গ্রাম ছাড়া। পুলিশের শেল্টার পেয়ে বর্তমানে সামেদ আলীর লোকজন বীরদর্পে আকবরনগর এলাকা চষে বেড়ালেও এখন শওকত আলীর জীবন রয়েছে হুমকির মুখে। যে কোন সময় তার উপর হতে পারে সামেদ আলী বাহিনীর হামলা। এমনটাই গুঞ্জন চলছে পুরো বক্তাবলী ইউপি জুড়ে। এ নিয়েও শওকত আলী চেয়ারম্যানের অনুসারীরা রয়েছেন আতংকে।
এ ব্যাপারে জানতে শওকত আলী চেয়ারম্যানের মুঠোফোনে যোগাযোগ হলে তিনি বলেন,সামেদ আলী আমার শেল্টারে ছিলো না। বক্তাবলি এলাকার সবাই আমার লোক। একসময় সামেদ আলী আমার ঘনিষ্ঠ লোক ছিলো কিন্ত অতিরিক্ত বেপরোয়া ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বেড়ে যাওয়া তাকে সরিয়ে দিয়েছি। কোন সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ঘুষখোর আমার লোক না আর আমিও তাদের লোক না।
আকবরনগরের বিষয়ে শওকত আলী বলেন, আমরা আকবরনগর এর ঝামেলাটা গুরুত্ব সহকারে দেখছি। স্থানীয় লোক, পুলিশ প্রশাসন ও মাননীয় সাংসদের সহযোগিতায় আকবরনগরে শান্তি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি।

