ঢাকা বিভাগতাজা খবরবিভাগীয় সংবাদরাজনীতিশীর্ষ সংবাদসম্পাদকের পছন্দ

তফসিল বাতিলসহ ৩ দাবি জানাল ইসলামী আন্দোলন

খবর নারায়ণগঞ্জ.কম :

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল বাতিলের জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সংগ্রামী আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম। আজ মঙ্গলবার ঢাকায় জাতীয় সংলাপে সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে তিন দফা দাবি উত্থাপন করেন।বিদ্যমান সংকটময় পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক দল, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক ও বিভিন্ন পেশাজীবী প্রতিনিধিদের সঙ্গে ‘জাতীয় সংলাপ’ অনুষ্ঠিত হয় রাজধানীর রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে।

সংলাপে ইসলামী আন্দোলন এর দাবি হলো- তফসিল বাতিল করে গ্রেপ্তারকৃত বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের মুক্তি দিয়ে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করা, সংসদ ভেঙে দিয়ে জাতীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন আয়োজন এবং কার্যকরী সংসদ, রাজনৈতিক সংহতি ও শতভাগ জনমতের প্রতিফলনের জন্য পিআর বা সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতির নির্বাচন প্রবর্তন করা।

উদ্বোধনী বক্তব্যে পীর সাহেব চরমোনাই আরও বলেন, দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে পরস্পর বিনাশী হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে সরকারি দল বিরোধী শক্তিকে ধ্বংস করতে চায়। আওয়ামী সরকার রাষ্ট্রের সব শক্তি ব্যবহার করে বিরোধী দলগুলোর রাজনৈতিক মাঠ এতটাই সংকুচিত করেছে যে ক্ষমতার পালাবদলে দেশীয় কোনো শক্তি আর কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। ফলে বিদেশিদের হস্তক্ষেপ করার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সার্বিকভাবে এটা এখন স্পষ্ট যে দেশে ক্ষমতার পালাবদলের এখতিয়ার আর জনগণের হাতে নেই।

তিনি বলেন, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির মতো অর্থনীতির অবস্থাও ভয়াবহ। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ তলানিতে ঠেকেছে। কোনোমতে আগামী তিন মাসের আমদানি ব্যয় নির্বাহ করা যাবে। বাংলাদেশের মতো একটি আমদানিনির্ভর দেশের জন্য এটা কতটা ভয়াবহ পরিস্থিতি তা বলা বাহুল্য।

আবারও একটি একতরফা নির্বাচন হলে ইউরোপ, আমেরিকার মতো পোশাক রপ্তানির প্রধান বাজার হারাতে হবে উল্লেখ করে রেজাউল করিম বলেন, এটি হলে বিপর্যয় ও অস্থিরতার চরম অবস্থা তৈরি হবে।

সংলাপে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, গণফোরামের নেতা সুব্রত চৌধুরী, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কায়সার কামাল, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নূরুল হক নূর, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মোস্তফা কামাল মজুমদার, এবি পার্টির সদস্য সচিব মজিবুর রহমান, সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) গোলাম মাওলা রনি, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আবদুল লতিফ মাসুম প্রমুখ।

Related Articles

Back to top button