ডাকাত সেন্টু ও আলমগীর গ্যাংয়ের কাছে জিম্মি পরিবহন মালিকরা, প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা
খবর নারায়ণগঞ্জ.কম :
ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে একের পর এক ডাকাতির ঘটনা ঘটেই চলেছে। এতে করে যাত্রী সহ বাস মালিকরা রয়েছেন চরম আতঙ্কের মধ্যে। এসব ঘটনা প্রতিরোধ করতে না পারলে অনেক বাস মালিক ব্যবসা গুটিয়ে নেয়ার চিন্তা করছেন বলে জানা গেছে।
গত ২৩ জুলাই রাতে গাইবান্ধার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া সৈকত ভিআইপি নামক পরিবহনের একটি বাসে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতরা নগদ ২১ হাজার টাকা সহ গাড়ির কাগজপত্র নিয়ে যায় এবং মোবাইল নাম্বার দিয়ে যায় যাতে করে পরবর্তীতে উক্ত নাম্বারে যোগাযোগ করে এক লক্ষ টাকা দিয়ে সেগুলো ফেরত নিয়ে আসে।
এব্যাপারে গাড়ির মালিক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন বাদী হয়ে দুইজনকে উল্লেখ করে আরো অজ্ঞাত ৮/১০ জনের বিরুদ্ধ ফতুল্লা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে।
অভিযোগে জানা যায়, গত ২৩ জুলাই ফতুল্লা থানাধীন ফারিয়া গার্মেন্টস হতে সৈকত পরিবহনের অন্তর্গত সৈকত ভিআইপি বাসটি গাইবান্ধার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। এসময় বাসটি ঢাকা-নারায়ণগঞ্চ লিংক রোডের ভূইগড় বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন রাস্তার উপর পৌছলে ডাকাত সেন্টু ও আলমগীর সহ আরো ৮/১০ জনের একটি দল মোটরসাইকেল যোগে এসে গাড়ির গতিরোধ করে গাড়িতে প্রবেশ করে। এসময় তারা গাড়ির সুপারভাইজার ফিরোজ মিয়ার গলায় ধারালো অস্ত্র ঠেকিয়ে নগদ ২১ হাজার টাকা ও ড্রাইভার কামালের কাছ থেকে গাড়ির স্মার্ট কার্ড, রোড পারমিট, বিমার কপি নিয়ে যায়। গাড়ির নাম্বার – ঢাকা মেট্টো-ব – ১৫-৮৫০০। এসময় বিবাদীরা মোবাইল নাম্বার (০১৮৮৯৭৭১৩৪২) দিয়ে যায় এবং উক্ত নাম্বারে যোগাযোগ করে এক লক্ষ টাকা দিয়ে কাগজপত্র আনতে বলে যায়। নইলে পূণরায় যেকোন সময় গাড়ি আটক করে গাড়ির ক্ষতি করার হুমকী দেয়।
এব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ জেলা দূরপাল্লা বাস মালিক সমিতির সভাপতি দিদারুল আলম জানান, আমরা প্রতিনিয়ত এসব ডাকাতদের কবলে পড়ে সর্বশান্ত হচ্ছি। এতে করে অনেক বাস মালিক ব্যবসা ছেড়ে দেওয়ার কথা ভাবছেন। বিশেষ করে মদনপুর, কাঁচপুর, জালকুড়ি, সাইনবোর্ড এলাকায় বেশী ডাকাতি হয়। আমরা পুলিশ প্রশাসনকে এ ব্যাপারে আরো বেশী নজরদারী করার অনুরোধ জানিয়েছি।

