জাতীয়তাজা খবরথানার সংবাদধর্ম ও শিক্ষাফতুল্লা থানাশীর্ষ সংবাদসম্পাদকের পছন্দ

ভন্ড সাধু সত্যজিত পাল টোকেনের বিরুদ্ধে মন্দিরের নামে চাঁদাবাজির গুরুতর অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধি: সাধু নাগ মহাশয় আশ্রম ও মন্দির শহরের দেওভোগ নাগবাড়ি এলাকায় অবস্থিত।এখানে সত্যজিত পাল টোকেন নামে একজন একটি বেসরকারি ইন্সুরেন্স কোম্পানির সামান্য পিয়ন গেরুয়া রঙের ধুতি পরে সাধু সেজে মন্দিরের নামে শহরে চাদাদাবাজি করে বেড়ায়।টোকেন সাধু কোন ব্রাহ্মণ সন্তান নয়, সে মূলত একজন ভন্ড সাধু।বছর দুয়েক আগে সাধুনাগ মহাশয় মন্দিরে এক ভাড়ারটিয়ার স্ত্রীর সাথে অবৈধ অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলে এই ভন্ড সাধু টোকেন।এই অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে সাধু নাগ মহাশয় মন্দিরের কমিটির নেতৃবৃন্দ তাকে অফিস থেকে এবং নাগ মন্দির থেকে বিতাড়িত করে।কিন্তু চতুর সত্যজিত পাল টোকেন গত করোনাভাইরাসের সময় সরকারের নির্দেশনা এবং স্বাস্থ্যবিধির কারণে মন্দিরের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সত্যজিত পাল টোকেন নামের ওই ভন্ড সাধুপুনরায় মন্দিরে প্রবেশ করে।মূলত তার কাজ হচ্ছে কোন

রশিদ ছাড়া হিন্দু সম্প্রদায়ের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে চাঁদা তোলা। সে কোন চাঁদার হিসাব দাখিল করে না।এদিকে ভন্ড সাধু টোকেন এখন আশ্রয় নিয়েছে ৩/৬ পুরান পালপাড়া এলাকায়/সূত্র জানায় হিন্দু ধর্মের তালাকপ্রাপ্ত এক নারীর সাথে ওই পাল পাড়ার বাড়িতে অবৈধভাবে লিভ টুগেদার করছেন ভন্ড টোকেন।এ ব্যাপারে ছবিসহ বিস্তারিত তথ্য আগামীতে প্রকাশ করা হবে।একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, সাধু নাগ মহাশয় আশ্রমের বর্তমান কমিটির সভাপতি সরোজ সাহা,এবং সাধারণ সম্পাদক তারাপদ আচার্যের সাথে মন্দির পরিচালনা নিয়ে মতবিরোধের কারণে সরোজ সাহা করোনাভাইরাসের পূর্ব থেকে মন্দিরে আসেন না।খোঁজখবরও রাখেন না।এই সুযোগটি কাজে লাগিয়েছে প্রতারক ভন্ড টোকেন।সে প্রতি মাসে লাখখানিক টাকার উপরে চাঁদাবাজি করে।সে নিজের আখের গোছাচ্ছে।সাধুর বেশ ধরে সত্যজিত পাল টোকেন শুধু চাঁদাবাজি করে বেড়ায়।সে কোন হিসাব দেয় না। তার বিরুদ্ধে সর্বশেষ এই বছর লাঙ্গলবন্দ স্নান উৎসবের সরকার বরাদ্দ যে চাল দেওয়া হয় সেই চালও বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।অবিলম্বে ভন্ড টোকেন সাধুর নাগবাড়ি মন্দির থেকে বিতাড়িত করার জন্য হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের প্রতি অনুরোধ জানান সাধু নাগ মহাশয় এর ভক্তবৃন্দ।

Related Articles

Back to top button