

খবর নারায়ণগঞ্জ.কম :
নতুন জিমখানা এলাকা থেকে মাদক ব্যবসায়ী সন্ত্রাসীদের উচ্ছেদের পরেও নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠা ও প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে নতুন জিমথানা পঞ্চায়েত কমিটির অফিস সংলগ্ন সড়কে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি ফররুখ আহমেদ ফারুক তার বক্তব্যে বলেন, আমরা দেখেছি বিগত ৫/৬ মাস আগে জিমখানা সহ আশপাশের এলাকা মাদক ব্যবসায়ীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়। এখানে বিভিন্ন অপকর্ম সংগঠিত হয় যা কিনা আমরা দেখেও না দেখার মত অবস্থায় ছিলাম। অত্র এলাকায় বাবুরাইল লেক তৈরি হওয়ায় এখানে শান্তি ফিরে আসে। কিন্তু আমরা দেখলাম লেকের আশপাশে মাদক বিক্রেতা, ছিনতাই সহ নানা অপরাধ বৃদ্ধি পেতে থাকে। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সহযোগিতা নিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের এলাকা থেকে বিতাড়িত করি।
তিনি আরও বলেন, আমরা ভালো কাজ করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে হুমকী-ধমকি পেতে হচ্ছে যা কিনা অপ্রত্যাশিত। তানভির-শাহআলম গংদের অপরাধের তালিকা থানায় রয়েছে। তারপরেও তারা কিভাবে আমাদেরকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। তাদেরকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিন এবং আমাদের বাঁচতে দিন। বর্তমানে তানভির-শাহআলম গংরা করিম মার্কেট ও ভ্যানগাড়ি স্ট্যান্ডে মাদক ব্যবসা চালু করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
নেতৃবৃৃন্দ জানান, আমরা জীবন বাজি রেখে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছি। আমাদের লক্ষ্য জিমখানা ও আশপাশের এলাকা মাদকমুক্ত করা। আমরা যা করতে পেরেছি সেটা প্রশাসন করতে ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমান পুলিশ সুপার নারায়ণগঞ্জে আসার পর থেকে অপরাধ প্রবনতা অনেকটাই কমে এসেছে। পুলিশ সুপার সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান নেতৃবৃন্দ।
এসময় শাহরিয়ার ইমনের সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন, জিমখানা নতুন পঞ্চায়েত কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি অপু, সহ-সভাপতি এম আর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক মিজান মিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাকিল, দপ্তর সম্পাদক সানি, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক স্বপন মিয়া, মোঃ মাছুম মিয়া, শামীম প্রমুখ।
আপনার মতামত লিখুন :