নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় তৃতীয় দিনের মতো সড়কে নেমেছে কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা


Jahid প্রকাশের সময় : নভেম্বর ৪, ২০২৬, ১২:৩০ অপরাহ্ন / ০ Views
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় তৃতীয় দিনের  মতো সড়কে নেমেছে কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা

খবর নারায়ণগঞ্জ.কম:

৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মাসিক মজুরি
নির্ধারণের দাবিতে টানা তৃতীয় দিনের মতো সড়কে নেমেছেন নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সংযোগ সড়কের পাশে কুতুবআইল কাঠেরপুল এলাকায় জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন শ্রমিকেরা।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী বলেন, “শ্রমিকরা মূল সড়কে ওঠার চেষ্টা করলে তাদের আমরা মজুরি বোর্ড গঠন হয়েছে এবং সিদ্ধান্ত একটা আসবে জানিয়ে নিবৃত করার চেষ্টা করি। কিন্তু তারা না শোনায় পরে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়া হয়। আমরা কোনোভাবেই রাস্তা দখল করে জনভোগান্তি তৈরি করতে দেবো না।”

এ ঘটনায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগে কয়েকজনকে আটক করার কথাও জানান তিনি।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী এক ওষুধ বিক্রির দোকানি বলেন, গার্মেন্টসের শ্রমিকেরা জড়ো হওয়ার পর তাদের সঙ্গে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের প্রথমে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। পরে পুলিশ এসে শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে। এক পর্যায়ে শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়।

মেট্রো নিটিংয়ের এক শ্রমিক অভিযোগ করে বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করছিলাম। বিএনপির নেতারা এসে আমাদের শ্রমিকদের মারধর করেন।”

এদিকে পুলিশের ছোড়া টিয়ার গ্যাসে স্থানীয় একটি হোসিয়ারি কারখানার শ্রমিক জান্নাত (১৮)।

মিশর হোসিয়ারির জান্নাত (১৮) টিয়ার গ্যাসে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে পাঁজাকোলা করে সহকর্মীরা হাসপাতালের দিকে নিয়ে যেতে দেখা যায়।

তার আরেক সহকর্মী নার্গিস বলেন, “পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের ঝামেলা হবার পরই আমাদের হোসিয়ারি ছুটি দিয়ে দেয়। আমরা বেরিয়ে আসার পরই রাস্তায় টিয়ার শেলের মধ্যে পড়ে যাই।”

এর আগে গত সোমবার ও মঙ্গলবারও একই দাবিতে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেন শ্রমিকেরা। তাদের আন্দোলনের কারণে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সংযোগ সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে। মঙ্গলবার বিকেলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষেও জড়ান শ্রমিকরা। এতে উভয়পক্ষের কয়েকজন আহত হন।

ওই ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তারের কথাও জানিয়েছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক সার্কেল) শামীম হোসাইন।