জমি ক্রয় করে চলাচলের রাস্তা না পেয়ে দূর্ভোগে পড়েছেন সাদ্দাম, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

স্টাফ রিপোর্টার :
সৈয়দপুর কড়ইতলা এলাকায় জমি ক্রয় করে চলাচলের রাস্তা না পেয়ে দূর্ভোগে পড়েছেন প্রবাসী সাদ্দাম হোসেন। জমি বিক্রয় করার জন্য চলাচলের রাস্তা দেখালেও বিগত তিন বছর যাবৎ কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে প্রবাসী সাদ্দাম হোসেন জানান, বিগত তিন বছর পূর্বে আব্দুর রহমান পাঠানের কাছ থেকে আমি জমিটি ক্রয় করেছি। আব্দুর রহমান পাঠান সৈয়দপুর কড়ইতলা এলাকার খালেক মাদবর এর ছেলে সোহেল রানার কাছ থেকে ক্রয় করে। সেই সময় আমাকে জমির রাস্তা সহ মূল স্কেচ প্রদান করা হয়। কিন্তু জমির পূর্বের মূল মালিক সোহেল রানা ব্যবহৃত রাস্তা বুঝিয়ে না দিয়ে দেশের বাইরে চলে যান। রাস্তার বিষয়ে কথা বললে সোহেল রানার পরিবারের পক্ষ থেকে কোন প্রকার ব্যবস্থা না নিয়ে তার ভাই কাউছার আহমেদ রুবেল বিভিন্ন ধরনের হুমকী-ধমকী প্রদান করেন। সোহেল রানা দেশে না থাকায় তার ভাই আওয়ামী লীগের দোসর কাউছার আহমেদ রুবেল, ইকবাল হোসেন, জিয়ার হোসেন গং ঐ রাস্তাটি নিজেদের দাবী করলেও তার স্বপক্ষে কোন প্রমান তারা দেখাতে পারেনি বরং জমির রাস্তার বিষয়ে কথা বললে হত্যা করে লাশ গুম করে ফেলার ভয়ভীতি প্রদর্শন করে রুবেল। এ বিষয়ে কোর্টে একটি মামলা দায়ের করা হয়, যার নং-৬৮৬/২০২৬। যা কিনা তদন্তের জন্য পিবিআই এর নিকট দ্বায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, উক্ত জমিতে একটি টিনশেড ঘর ও দেয়াল নির্মান করে রুবেল চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয়। বিষয়টি জানতে পেরে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে নিয়ে বাঁধা প্রদান করা হয়। কিন্তু তারা রাস্তা না দিয়ে উল্টো হুমকী প্রদান করে। উক্ত জমিটি নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৮নং ওয়ার্ডের সৈয়দপুর ‘ম’ খন্ড মৌজাস্থিত, যার খতিয়ান নং- সিএস-২০, এসএ-৬, আরএস-৮, দাগ নং- সিএস-৩৪, এসএ-২৯, আরএস-৪৪, ৪৫। প্রবাসী সাদ্দাম হোসেন বর্তমানে নিজের পরিবার নিয়ে আতংকের মধ্যে দিন পার করছেন। তিনি এ বিষয়ে সুষ্ঠু সমাধানের জন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।
এছাড়াও নূর হোসেন খান নামে এক ব্যবসায়ী তাদের কাছ থেকে জমি ক্রয় করে একই সমস্যার মধ্যে রয়েছেন। তিনি এ বিষয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন, যা কিনা সিআইডি এর নিকট তদন্তের জন্য দ্বায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

