তাজা খবরথানার সংবাদনারায়ানগঞ্জ সদর থানামহানগররাজনীতিশীর্ষ সংবাদসম্পাদকের পছন্দ

সরকার ঘোষিত ভাড়ার অতিরিক্ত বাসভাড়া আদায় বন্ধের দাবিতে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
সরকার ঘোষিত ভাড়ার অতিরিক্ত বাসভাড়া আদায় বন্ধ, এলপি গ্যাসের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার, বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির পাঁয়তারা বন্ধের দাবিতে গণতান্ত্রিক যুক্ত ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার উদ্যোগে আজ বিকাল ৫ টায় নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে সমাবেশ ও শহরে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। কমিউনিস্ট পার্টির জেলার সভাপতি শিবনাথ চক্রবর্ত্তীর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক সভাপতি হাফিজুল ইসলাম, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ জেলার সদস্যসচিব আবু নাঈম খান বিপ্লব, বাংলাদেশ জাসদ জেলার সভাপতি সোলেমান দেওয়ান, সিপিবি জেলার সম্পাদকম-লীর সদস্য বিমল কান্তি দাস, বাসদ জেলা কমিটির সদস্য সেলিম মাহমুদ।
নেতৃব্ন্দৃ বলেন, নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা রুটে বাস মালিকরা জ¦ালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির অজুহাতে ১ মে থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সরকার ১৮ এপ্রিল জ¦ালানির মূল্য বৃদ্ধি করে। ২৩ এপ্রিল পরিবহন ভাড়া সমন্বয় করে। সরকারের সিদ্ধান্ত মোতাবেক নারায়ণগঞ্জে বাসভাড়া বৃদ্ধি পায় প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা। সেই হিসাবে নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা রুটে বাসভাড়া বাড়তে পারে ২ টাকা। কিন্তু ১ মে থেকে বাস মালিকরা ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫৫ টাকা ভাড়া আদায় করছে। অতীতে বাসভাড়া বৃদ্ধির করলে সমস্ত অংশীজনের সাথে জেলা প্রশাসক আলোচনা করে। কিন্তু এবার শুধুমাত্র মালিকদের সাথে আলোচনা করে ভাড়া বৃদ্ধি করেছে। সবচেয়ে বড় অংশীজন যাত্রী, অথচ এদের প্রতিনিধিদের সাথে কোন আলোচনা করেনি। আমরা প্রশাসনের এই একতরফা স্বৈরতান্ত্রিক পদ্ধতির নিন্দা জানাই এবং বাড়তি ভাড়া আদায় অবিলম্বে বন্ধের দাবি জানাচ্ছি।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার শাসনামল, তৎপরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলে নিত্যপণ্যের উর্ধ্ব গতির কারণে সাধারণ মানুষ চরম সংকটে দিনাতিপাত করেছে। সদ্য নির্বাচিত বর্তমান সরকারের সময়ে এখন পর্যন্ত দেশের সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক সংকট কাটেনি। নিত্যপণ্যের মূল্য অবিরাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। আবাসিকে প্রাকৃতিক গ্যাসের লাইন দীর্ঘ সময় থেকে সংযোগ দেয়া বন্ধ রয়েছে। তাই মানুষকে এলপি গ্যাসের উপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এ অবস্থায় মার্চ ও এপ্রিল মাসে এলপি গ্যাসের মূল্য ৫৯৯ টাকা বাড়িয়েছে। বর্তমানে ১২ কেজি এলপির মূল্য ১৯৪০ টাকা যা ক্রেতাদের কিনতে আরও ১/২ শ টাকা বেশি দিতে হয়। জনগণের জীবনযাত্রায় তীব্র আর্থিক সংকট বিবেচনায় অবিলম্বে এলপি গ্যাসের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার করা দরকার।
নেতৃবৃন্দ বলেন, বিদ্যুতের মূল্য ১৭% থেকে ২১% বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। বিইআরসি এটা আমলে নিয়ে গণশুনানির কথা বলেছে। ব্যাপক ভতর্’কির কথা বলে দফায় দফায় অতীতে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। বর্তমান সরকারও সে পথ অবলম্বন করছে। বাস্তবে অতীতে জ¦ালানি খাতে চুরি, লুটপাটের সুযোগ তৈরি করার জন্যই বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি হয়েছে। বর্তমান সরকারকে এগুলো বন্ধের উদ্যোগ নিতে হবে। কোনভাবেই জনগণের উপর দায় চাপানো চলবে না। নেতৃবৃন্দ বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির পাঁয়তারা বন্ধের দাবি জানান।  

Related Articles

Back to top button