তাজা খবরথানার সংবাদধর্ম ও শিক্ষানারায়ানগঞ্জ সদর থানামহানগরশীর্ষ সংবাদসম্পাদকের পছন্দ

মর্গ্যান গার্লস স্কুলে বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত

খবর নারায়ণগঞ্জ.কম: নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মর্গ্যান গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের উদ্যোগে ‘বার্ষিক ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক ও মেধা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার ৬ই এপ্রিল সকাল থেকে দিনব্যাপী আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মেধার স্বীকৃতি প্রদানের পাশাপাশি এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক উৎসবের আয়োজন করা হয়।

প্রতিষ্ঠানের (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যক্ষ নুসরাত রেবেকার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত প্রাণবন্তভাবে পরিচালিত হয়। সভাপতির বক্তব্যে তিনি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মানোন্নয়ন, সহশিক্ষা কার্যক্রমের প্রসার এবং বিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক পুরাতন ভবন রক্ষণা বেক্ষণ সহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের চিত্র তুলে ধরেন। তাঁর সুদক্ষ নেতৃত্বে পুরো আয়োজনটি ছিল অত্যন্ত গোছানো।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা শিক্ষা অফিসার জনাব মোঃ আতিকুর রহমান, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জনাব মাসুকূল ইসলাম রাজিব এবং মহানগর বিএনপির সদস্য জনাব আওলাদ হোসেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দেওভোগ পোশাক প্রস্তুতকারক মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জনাব সুজন মাহমুদ এবং মহানগর বিএনপির সদস্য জনাব আমিনুর ইসলাম মিঠু।

বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, “মর্গ্যান গার্লস স্কুল নারায়ণগঞ্জের নারী শিক্ষার প্রসারে দীর্ঘকাল ধরে আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করছে। কেবল পাঠ্যবইয়ের শিক্ষাই যথেষ্ট নয়, শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক চর্চার গুরুত্ব অপরিসীম। আজকের ছাত্রীরাই আগামী দিনের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার কারিগর। তাই তাদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষক ও অভিভাবকদের পাশাপাশি সমাজের সকল স্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে।” বক্তারা বিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক উন্নয়নমূলক কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং শিক্ষার মান ধরে রাখতে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের পরিবেশিত মনোমুগ্ধকর নৃত্য ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থিত অতিথিদের মুগ্ধ করে। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে মেধা তালিকায় স্থান পাওয়া শিক্ষার্থী এবং বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।

শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ এক উৎসবমুখর মিলনমেলায় পরিণত হয়। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার প্রতি আরও উৎসাহী এবং সৃজনশীল করে তুলবে।

Related Articles

Back to top button