তাজা খবরথানার সংবাদফতুল্লা থানারাজনীতিশীর্ষ সংবাদসম্পাদকের পছন্দ
মাওলানা ফেরদাউস নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগে দোষদের পূর্ণবাসন করার চেষ্টা করছেন

ফতুল্লা প্রতিনিধিঃ
মাওলানা ফেরদাউস কখনো বা লাঙ্গলে কখনো বা নৌকায় আবার কখনো সে জমায়েতে ওলামা দলের নেতা। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কখনো সেলিম ওসমান কখনো বা শামীম ওসমান আবার কখনো বা আওয়ামী লীগের দোসরদের কীর্তনের বাতিঘর ছিলেন মাওলানা ফেরদাউস।
৫ ই আগস্টের পরে এখন তিনি নারায়ণগঞ্জে সব থেকে বেশি আওয়ামী লীগ ধারা নির্যাতিত ব্যক্তি নাকি, নারায়ণগঞ্জের সভা সমাবেশে হুংকার দিয়ে বিভিন্ন নেতার বাহবা আবার তার অপছন্দের লোকদেরকে তিনি কটাক্ষ করে কথা বলেন হুংকার দেন। মাওলানা ফেরদাউসের বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জাতীয় পার্টি থেকে মনোনীত নারায়ণগঞ্জ ৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সেলিম ওসমানের নির্বাচনী প্রচারণায় লাঙ্গলের পক্ষে ওপেন বক্তব্য এবং ভোট চেয়েছিলেন।
নারায়ণগঞ্জের গডফাদার নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব একেএম শামীম ওসমানের আস্থাভাজন ও পছন্দের ব্যক্তিও ছিলেন মাওলানা ফেরদাউস। তাছাড়া নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক শাহ নিজামের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি ছিলেন এই মাওলানা ফেরদাউস, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এরকম অনেক ছবি এখন ঘুরছেন মানুষের নজরে তবে যখন যে দল আসে তখন সে দল থেকেই সুবিধা নেন মাওলানা ফেরদাউস।
তবে এভাবেই তিনি নিজেকে গুছিয়ে নিতে পারেন কেননা তার দল জমায়েতে উলামা যেকোনো সময় ডাক দিলেই নারায়ণগঞ্জে ৫০ থেকে ১০০ জন আলেম-ওলামা এক হওয়া মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যাপার, তিনি যেকোনো সময় তাদেরকে নিয়ে আন্দোলন সংগ্রামে বক্তব্য দিয়ে পুলিশ প্রশাসনকে হুংকার দিয়ে নিজেকে বড় বাপের নেতা বানানোর চেষ্টায় চালিয়ে যাচ্ছেন। বেশিরভাগ সময় তিনি প্রশাসনকে আল্টিমেটাম এবং গ্রেপ্তারের হুংকার দেন কোন ব্যক্তি তার অপছন্দ হলেই তার বিরুদ্ধে করেন মানববন্ধন বিক্ষোভ মিছিল ও সভা সমাবেশ।
সব মিলিয়ে মাওলানা ফেরদাউস কে কোন দলই বাদ দেওয়া যাবে না কেননা সব দলের নেতাদের সাথেই রয়েছে তার ফটোশুট ছবির বাহার গোপন বৈঠক এমনকি আওয়ামী লীগ বিএনপি জাতীয় পার্টি হেফাজতে ইসলাম সকল দলেরই পছন্দের পাত্রই যেনো মাওলানা ফেরদাউস।
গত ৬ সেপ্টেম্বর বিকেল পাঁচটায় সাইনবোর্ড শান্তিধারা কালাচাঁন মেম্বর মার্কেটের দখল করতে আসেন মাওলানা ফেরদৌসের অনুসারী মাওলানা জালাল উদ্দিন পরবর্তীতে মাওলানা জালাল উদ্দিনের বাহিনী সাইনবোর্ড কালাচান মার্কেট বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তালা দিয়ে বন্ধ করে দেন।
এই ঘটনার খবর পেয়ে ৯৯৯ লাইনে ফোন দিয়ে ফতুল্লা মডেল থানার পুলিশ এসে ব্যবসায়ীদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের তালা খুলে দেন এই ঘটনা ভিন্ন খাতে মোড়ানোর জন্য মাওলানা ফেরদৌসের অনুসারী ও মাওলানা জালাল উদ্দিন সাইনবোর্ডে জমায়েতে ওলামা ফতুল্লা থানা কমিটির কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ আনে মাজেদুল এর বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে মাজেদুল বলেন তাদের কোন অফিস আমরা ভাঙচুর করিনি বরঞ্চ তারা আমাদের মার্কেটের ব্যবসায়ীদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তালা মেরে দিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে হামলা চালায় আমরা ৯৯৯ লাইনে ফোন দিয়ে পুলিশে নিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের তালা খুলি এ ঘটনা আমরা ফতুল্লা মডেল থানা একটি অভিযোগ দায়ের করি, ঘটনা ভিন্ন খেতে মোড়ানোর চেষ্টা করছেন এবং আওয়ামী লীগের দর্শকদেরকে নারায়ণগঞ্জেপূর্ণ ভাষণের চেষ্টা করছেন মাওলানা ফেরদাউস ও মাওলানা জালাল উদ্দিন।
টার্মিন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের কাছে দাবি করব তাদের অফিসে আমি এবং আমার কোন কর্মী যদি যে ভাঙচুর চালিয়ে থাকে নিশ্চিত তাদের অফিসের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ রয়েছে সেটি দেখে তদন্তপূর্বক যারা দোষী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হোক।
নারায়ণগঞ্জে অশান্ত ও অপরাজনীতি সৃষ্টি করার জন্য সব সময় নিজের দলের ব্যানারে সভা সমাবেশ করে বিভিন্ন পাঁয়তারা করেন মাওলানা ফেরদাউস তাই বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের অনেক নেতাকর্মীর দাবি ফেরদৌসের মত এরকম বহুরূপী মানুষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত এরা আসলেই কোন দলের জন্য সুবিধাজনক লোক নয়, এরা এখন নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগের পূর্ণবাসন করার জন্য বিভিন্ন আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে আঁতাত করে তাদের সেল্টার দিচ্ছেন।


