আন্দোলনে মৃত্যুশয্যায় ইব্রাহিম, তারেক রহমানের নির্দেশে চিকিৎসা ও পরিবারের দায়িত্ব নিলেন প্রাইম বাবুল

খবর নারায়ণগঞ্জ.কম: মুহাম্মদ ইব্রাহিম ছিলেন বিএনপির একজন কর্মী, আন্দোলন সংগ্রামে তার অনেক অবদান। কিন্তু ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর ঢাকায় বিএনপির আন্দোলনে যোগ দিয়ে এখন তিনি শয্যাশায়ী হয়ে পড়েছে। ৩ সন্তানের লেখাপড়া একেবারে অনিশ্চিত। পরিবারের ঘানি টানতে বড় ছেলে কাজে যোগ দেন এবং মা বাসা বাড়িতে কাজ করেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খবর পেয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে প্রাইম গ্রুপের চেয়ারম্যান আবু জাফর আহমেদ বাবুল (প্রাইম বাবুল) তার চিকিৎসা ও সন্তানের পড়ালেখার দায়িত্ব সহ পরিবারের সকল দায়িত্ব নেন। এসময় মুহাম্মদ ইব্রাহিম এর বাসায় গিয়ে সাথে সাথে মোবাইলে কেন্দ্রীয় নেতার সাথে কথা বলে ঢাকায় পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দেন। আগামী রবিবার সকাল থেকে গুরুতর আহত ইব্রাহিমের চিকিৎসা শুরু হচ্ছে।
এ বিষয়ে আহত ইব্রাহিম জানান, পল্টনে ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর বিএনপির আন্দোলনে যোগদেন। সে সময় অতর্কিত হামলার শিকার হন তিনি। পুলিশ তাকে লক্ষ্য করে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে এবং পরে তাকে বেধরক মারপিট করা হয়। এতে করে সে অচেতন হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তাকে পুলিশের বুট দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। একপর্যায়ে মৃত ভেবে ইব্রাহিমকে ফেলে যায়। সেই থেকে অচল হয়ে পড়েছে দুটি পা আর সেই ব্যাথার যন্ত্রানায় আজও কাতরাচ্ছেন তিনি। মডেল গ্রুপের চেয়ারম্যান মাসুদ সহ অনেকেই আশ্বাস দিয়ে গেছেন কিন্তু সেই আশ্বাস এখনো বাস্তবায়ন না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
প্রাইম গ্রুপের চেয়ারম্যান আবু জাফর আহমেদ বাবুল বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি নিউজ দেখে আমি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে জানাই। তিনি আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন তার চিকিৎসা ও পরিবারের দায়িত্ব নিতে। আমি এখানে এসে দেখলাম ইব্রাহিম আহত হওয়ার পরে তার সন্তানদের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে গেছে। আমি তাদের লেখাপড়ার দায়িত্ব নিয়েছি এবং তার বড় ছেলে পড়ালেখার পাশাপাশি কাজ করতে চায় সে ব্যবস্থাও করে দিব। আগামী রবিবার থেকে পঙ্গু হাসপাতালে ইব্রাহিমের চিকিৎসা শুরু হবে। সবাই দোয়া করবেন ইব্রাহিম যাতে আগের মতো সুস্থ হয়ে পূণরায় চলাফেরা করতে পারে।



