বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হত্যা মামলার আসামী হয়েও হোসিয়ারী নির্বাচনের প্রচারনায় বাসেত!

নিজস্ব প্রতিবেদক : নগরীতে চলছে বাংলাদেশ হোসিয়ারী এসোসিয়েশন (২০২৫-২০২৭) এর নির্বাচনের প্রচার- প্রচারনা। এই নির্বাচনে স্বতন্ত্র ঐক্য হোসিয়ারি মালিক ঐক্য ফোরামের সাধারন গ্রুপের পরিচালক পদে ৮ প্রার্থীর মধ্যে একজন রয়েছে গত ৫ আগষ্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে পন্ড করার জন্য ফ্যাসিবাদী আওয়ামীলীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠনের প্রধান আসামী শেখ হাসিনা, শামীম ওসমানসহ ৫১ জনের বিরুদ্ধে দাযেরকৃত মাদ্রাসা ছাত্র হাফেজ সোলাইমান হত্যা মামলার অন্যতম আসামী নন্দী পাড়া এলাকার নুর মোহাম্মদ খা এর ছেলে আবুল বাশার বাসেত।
ঐ ঘটনায় নিহত হাফেজ সোলাইমান এর বোন জামাই মো: শামীম কবির (৩২) বাদী হযে গত ০৫/০৮/২০২৪ ইং তারিখে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় শেখ হাসিনা, শামীম ওসমান সহ ৫১ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দাযের করেন। মামলা নং-১৬।
মামলার বিবরনে জানাযায়, গত ০৫/০৮/২০২৪ ইং তারিখে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে পন্ড করার জন্য আওয়ামীলীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠনের সমর্থিত নেতাকর্মীরা একজোট হয়ে আগ্নেয়াস্ত্র, পিস্তল, শটগান, ককটেল, লাঠিসোঠা ইটপাটকেল, রামদা, বার্ন ইত্যাদি নিয়ে সজ্জিত হয়ে বেআইনী মহাসড়কে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করে এবং জনমনে আতংক তৈরী করে।
এ সময় আসামীদের নির্দেশে জনতাকে উদ্দেশ্য করে এলোপাথাড়ী গুলি ও আক্রমন করার নির্দেশ প্রদান করলে অন্যান্য সকল আসামীগন তার অবস্থানরত ছাত্র জন উপর ককটেল বিস্ফোরণ কবিতার এবং তাদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র দ্বারা এলোপাথাড়ী গুলি বর্ষন করেন। এ সময বাদীর।শেলক মৃত হাফেজ সোলাইমান (১৯), একটি তারিখ আনুমানিক দুপুর ১৩.৩০ ঘটিকার সময় সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন চিটাগাংরোডস্থ জনতা ব্যাংকের সামনে পাকা রাজার উপর পৌছালে সন্ত্রাসীদের ছোড়া গুলিতে আমার শেলক মৃত হাফেজ সোলাইমান এর ডান পাশের গুলি বিদ্ধ হলে সে রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন। এ সময় পথচারিদের সহায়তায় তাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় পথি মধ্যে তার মৃত্যু হয়।পরবর্তীতে মাদানীনগর মাদ্রানা হল। কবরস্থানে তার দাফন কার্য সম্পন্না করা হয়।
অত্র মামলায় আসামীরা হলেন, ১। শেখ হাসিনা (৭৭) পিতা মৃত শেখ মুজিবুর রহমান, ২। আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল (সাবেক স্বররাষ্ট্র মন্ত্রী) ৩। এ্যাডঃ আনিসুল হক (৬৫), সাবেক আইনমন্ত্রী, ৪। ডাক্তার দিপু মনি (৬২), (সমাজকল্যাণ মন্ত্রী) ৫। জুনায়েদ আহমেদ পলক (সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী), ৬। এ.কে.এম শামিম ওসমান ৭। শাহজালাল বাদল (৪২), ৮। আবুল হাসনাত শহীদ বাদল ৯। এ্যাডঃ খোকন সাহা (৫৫) পিতা- মৃত দিজেন্দ্র কুমার সাহা, ১০। আনিসুর রহমান দিপু (৫৫), পিতা- মৃত আবিদুর রহমান, ১১। মতিউর রহমান মতি (৫৫) পিতা- মৃত বাদশা মিযা, ১২। খোরশেদ সারাওয়ার সোহেল (৫৫), পিতা- রাশেদ সারাওয়ার প্রধান, ৩৫। আবুল বাশার বাসেত (৫২), পিতা- নুর মোহাম্মদ সহ ৫১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
বাংলাদেশ হোসিয়ারী এসোসিয়েশনের এবারের নির্বাচনে সাধারন ভোটারদের মনে তাই প্রশ্নের দানা বেধেছে, একজন ফ্যাসিবাদী ও হত্যা মামলার আসামী হয়েও কিভাবে এই নির্বাচনে অংশ গ্রহন করতে পারে? প্রকাশ্য নির্বাচনের মাঠে প্রচার-প্রচারনা করলেও এই বিষয়টি কি প্রশাসনের অবগতির বাইরে?

