পরিচ্ছন্ন কর্মীদের ঘর বরাদ্দ নিয়ে মামুনের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ
খবর নারায়ণগঞ্জ.কম :
নারায়ণগঞ্জ সিটি হরিজন কলোনীতে অস্থায়ী পূর্ণবাসননের জন্য ঘর প্রদান, মাদক সহ বিভিন্ন সমস্যাকে কেন্দ্র করে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও মঙ্গলবার (১ নভেম্বর) সকালে কলোনীর ভিতরের ক্লাব ঘর ভেঙ্গে ফেলায় এসব সমস্যার কথা উঠে আসে। এসময় স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে প্রচন্ড ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, সিটি কলোনীতে বসবাসরত বাসিন্দাদের জীবন মান রক্ষার্থে ও জীবনযাত্রা উন্নয়নের লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডাঃ সেলিনা হায়াৎ আইভী ৬০টি পুরাতন ঘর ভেঙ্গে ১০ তলা বিশিষ্ট ২টি ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। সেসময় তিনি বলেছিলেন, যদি কলোনীতে কারো কাছে মাদক পাওয়া যায় তাহলে তার বিরুদ্ধে চিরতরে উচ্ছেদ সহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। তারপরেও অত্র এলাকার নেতৃস্থানীয় কয়েকজন এবং কিছু বহিরাগত ভাঙ্গা স্থানটিতে মাদকের আস্তানা গড়ে তোলে। বাসীন্দারা জানায়, এ মাদক ব্যবসার সাথে হরিজন পঞ্চায়েত কমিটির প্রধান সর্দার বুচ্চা লাল, হরিজন সমাজ সেবা সংঘের সাধারণ সম্পাদক মামুন চন্দ্র দাস, বুচ্চা লালের মেয়ে জামাই গণেশ দাস ও সন্তোষ দাস জড়িত। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হলে মাদক ব্যবসা বন্ধে সক্ষম হয় বলে জানায় এলাকাবাসী।
এদিকে, মঙ্গলবার সকালে কলোনীতে অবস্থিত ক্লাব ঘরটি ভেঙ্গে ফেলে হরিজন সমাজ সেবা সংঘের সাধারণ সম্পাদক জামিন প্রাপ্ত মাদক আসামী মামুন চন্দ্র দাস (৩৫)। এ বিষয়ে এলাকার কেউ অবগত নয় বলে জানায় এলাকাবাসী। পরে সেখানে মামুন চন্দ্র দাস উপস্থিত হলে এলাকাবাসী তাকে ক্লাব ঘর ভাঙ্গার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে সে এর কোন সদুত্তর দিতে পারেনি। এসময় বাসিন্দাদের তোপের মুখে মামুন। এছাড়া বেশ কয়েকজনের কাছ থেকে ঘর বরাদ্দ বাবদ বিভিন্ন অংকের অর্থও হাতিয়ে নিয়েছে বলে জানায় এলাকাবাসী। মেয়রের নাম ভাঙ্গিয়ে মামুন ও বুচ্চা লাল বিভিন্ন অপকর্ম করছে বলে জানায় এলাকাবাসী। তবে মামুন এসবের সকল কিছুই অস্বীকার করেছে।

