
৩১ জুলাই সন্ধ্যায় তোপখানা রোডস্থ কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত এক প্রতিবাদ সভায় তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। এসময় তিনি আরো বলেন, জুলাইকে কেন্দ্র করে সারাদেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সন্ত্রাসী-জঙ্গীদের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। যারা রাজনীতির নামে অপরাজনীতি শিখছে, ছিকেয় তুলেছে পড়ালেখা। একটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও এখন ঠিকমত পড়ালেখা হচ্ছে না। দ্রব্যমূল্য বাড়ছে, দুর্নীতি বাড়ছে, খুন-ধর্ষণ-হানাহানি নিত্য নৈমিত্তিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সভায় নতুনধারার প্রেসিডিয়াম মেম্বার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, ভাইস চেয়ারম্যান চন্দন সেনগুপ্ত, যুগ্ম মহাসচিব ওয়াজেদ রানা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। এসময় বক্তারা আরো বলেন, জুলাই চেতনাকে বিক্রি করে এমপি হওয়া এনসিপি নেতাদের মিছিলে ১০০ মানুষও হয় না, কারণ জনগণ তাদের প্রতারণা বুঝে গেছে। হবিগঞ্জই শুধু নয়, সারাদেশে সকল এলাকায় তারা জনপ্রত্যাখাত হয়েছে। মানুষকে যা খুশি তা-ই বুঝিয়ে আবেগ নিয়ে খেলে বেশি দিন ক্ষমতার স্বাদ নেয়া যায় না, তার প্রমাণ ৩৬ জুলাই। জুলাইর মোহ কেটে যাওয়ায় দেশের শীর্ষস্থান থেকে শুরু করে মুটে-মজুর পর্যন্ত তাদেরকে প্রতিহত করছে, যাদের জন্মই হয়েছে ছাত্রলীগ-আওয়ামী লীগের ঘরে; অথচ এখন সেই গুপ্তরা মানুষের নিরাপত্তা-স্বাধীনতা-শিক্ষা-সভ্
আপনার মতামত লিখুন :