তাজা খবরথানার সংবাদফতুল্লা থানারাজনীতিশীর্ষ সংবাদসম্পাদকের পছন্দ

কুতুবপুর ইউনিয়নের পাঁচটি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ ও দলীয় প্রভাব বিস্তারের আশঙ্কা 

ফতুল্লা প্রতিনিধিঃ
আগামী ১২ ই ফেব্রুয়ারি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে,একই দিনে নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশনার নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন,তাছাড়াও তৎপর রয়েছেন নারায়ণগঞ্জের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি, রেপ, আনসার সহ সকল বাহিনী ইতিমধ্যে প্রত্যেকটি এলাকার ভোট কেন্দ্রগুলো ঘুরে ঘুরে দেখছেন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছেন।
এরই মধ্যে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ এবং দলীয় প্রভাব বিস্তারের আশঙ্কা করছেন সাধারণ ভোটাররা, আর সেই ভোটকেন্দ্র গুলো হচ্ছে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের শাহী মহল্লা মুহাম্মদী আলিম মাদ্রাসা, পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়, দেলপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়, আহসান উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় আদর্শ নগর,শাহী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, মধ্য রসুলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শাহীবাজার কুমিল্লা সমিতি স্কুল এন্ড কলেজ।
এই ভোট কেন্দ্রগুলোতে সাধারণ ভোটারদের দাবি সেনাবাহিনী সহ প্রশাসনের সকল বাহিনী  ভোট গ্রহণের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অবস্থান করে নির্বাচন পরিচালনা করার। ইতোমধ্যে এই ভোট কেন্দ্রগুলোর আশপাশে কিছু দলীয় নেতাকর্মীদের প্রভাব বিস্তার,ও সাধারণ ভোটারদেরকে তাদের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার চাপ আসতে পারে বলে মনে করছেন সাধারণ ভোটাররা।
তাছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের এজেন্ট ঢুকতে না দেওয়া এবং কেন্দ্র দখল করা, কেন্দ্রের সামনে প্রভাব বিস্তার করার আশঙ্কাও রয়েছেন বলে জানিয়েছেন সাধারণ ভোটার ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর লোকজনেরা। সাধারণ ভোটারদের দাবি আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি প্রশাসন যদি তৎপর থাকেন এবং তারা যদি কঠোর অবস্থানে থাকেন তাহলেই একটি সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে মনে করছেন সাধারণ ভোটাররা।
তাছাড়াও নারায়ণগঞ্জের ৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও দাবি করেছেন তাদেরও কিছু কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে এবং দলীয় প্রভাব বিস্তারের আশঙ্কাও রয়েছেন। সব মিলিয়ে নারায়ণগঞ্জ চার আসনের কুতুবপুর ইউনিয়নের পাঁচটি ভোট কেন্দ্র দলীয় প্রভাব বিস্তার সহ বিভিন্ন ঝুঁকিতেও রয়েছেন তাই আগামী ১২ ই ফেব্রুয়ারি উক্ত ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে সেনাবাহিনীর সহ নারায়ণগঞ্জের প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের জোরালো দাবি জানিয়েছেন সাধারণ ভোটাররা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।

Related Articles

Back to top button