সরকারের অর্থ ও সময় বাঁচাতে প্রকল্পের কাজ লিংক রোডের পূর্ব পাশে করার আহ্বান জালকুড়ি বাসীর

ফতুল্লা প্রতিনিধি :
ইস্ট-ওয়েস্ট এলিভেটড এক্সপ্রেস প্রকল্পে জালকুড়ির হাজারো মানুষের বসত ভিটা অধিগ্রহণ এর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর বিপরীতে খালি জায়গা পরে রয়েছে সেদিকে খেয়াল না দিয়ে বসত ভিটা অধিগ্রহণ এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে নারায়ণগঞ্জের অন্তত ৭টি সরকারি প্রতিষ্ঠান সরাতে হবে, পাশাপাশি আরও ২টি দপ্তরের জমি হস্তান্তর হতে পারে। এতে সরকারের শত শত কোটি টাকার সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
যার মধ্যে রয়েছে নারায়ণগঞ্জ যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি), নারায়ণগঞ্জ আবহাওয়া অফিস,শিবু মার্কেট ফায়ার সার্ভিস, নির্মাণাধীন নারায়ণগঞ্জ মডেল স্কুল, নির্মাণাধীন নারায়ণগঞ্জ কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নির্মাণাধীন আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার। জমি হস্তান্তর হতে পারে প্রস্তাবিত পিবিআই অফিস, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি এবং বাংলাদেশের বৃহত্তম মাদ্রাসা জামিয়া রাব্বানিয়া আরাবিয়া দুইটি বড় প্রতিষ্ঠান সহ বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম মসজিদ।
জালকুড়ি এলাকার সোলায়মান খান রাব্বি বলেন আমরা জালকুড়ি থেকে আর কতো জায়গা সরকার কে দিবো ? দেশের উন্নয়ন এর জন্য আমাদের জমি দিতে বাঁধা নেই। ঢাকা- নারায়ণগঞ্জ রোডের পূর্ব পাশে অনেক খালি জায়গা রয়েছে। সরকার চাইলে খালি জায়গা নিতে পারে । খালি জায়গা রেখে কেনো আমাদের বসত বাড়ি নিতে হবে ? ম্যাপ পরিবর্তন করে খালি জায়গায় দৃষ্টি নন্দন গোলচত্বর হবে। এতে করে সরকারের জমি অধিগ্রহণের খরচ অনেক কমে আসবে। অন্যথায় আমরা দেশের স্বার্থে আমাদের বসত ভিটা রক্ষা করার জন্য কঠোর আন্দোলন করবো। প্রয়োজনে জীবন দিবো তবু বাপ দাদার বসত ভিটা দিবো না।
এলাকাবাসী জানায়, প্রকল্পের জন্য সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটা সঠিক কিন্তু এই প্রকল্পটি আমাদের এলাকার পূর্ব পাশে যে বিস্তির্ণ খালি জায়গা রয়েছে সেখানে করতে পারে। আমরাও দেশের উন্নয়ন চাই। যদি খালি জায়গা না থাকতো তাহলে সেটা ঠিক ছিলো। যেহেতু অপর পাশে প্রচুর খালি জায়গা আছে আমরা মনে করি এটা সেখানে করলেই সবচাইতে ভালো হবে। এতে করে সরকারের অর্থ ও সময় দুটোই বাঁচবে।