তাজা খবরথানার সংবাদফতুল্লা থানারাজনীতিশীর্ষ সংবাদসম্পাদকের পছন্দ

সাব্বির হত্যা মামলায় আদালতে জাকির খান, দুই জনের স্বাক্ষ্য গ্রহন

খবর নারায়ণগঞ্জ.কম :
নারায়ণগঞ্জের ব্যবসায়ী নেতা সাব্বির আলম খন্দকার হত্যা মামলায় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জাকির খানের বিরুদ্ধে আদালতে আরও ২ জন স্বাক্ষী দিয়েছে।
সোমবার (২৪ জুন) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ উম্মে সরাবন তহুরার আদালতে এ সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আব্দুর রশিদ জানান, ব্যবসায়ী সাব্বির আলম খন্দকার হত্যা মামলায় দুইজনের স্বাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আজ সকালে জাকির খানকে আদালতে আনা হয়। পরে স্বাক্ষ্য গ্রহন শেষে জাকির খানকে আবারো কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
এ ব্যাপারে পরে আসামী পক্ষে আইনজীবী রবিউল হোসেন বলেন, আজ সাব্বির হত্যা মামলায় দুই জন সাক্ষী তাদের সাক্ষ্য প্রদান করেছে। তারা হলো একজন সাব্বির আলম খন্দকারের বিয়াই শফীক খন্দকার ও আরেকজন নজরুল ইসলাম। তারা আদালতে বিশেষ কিছু বলতে পারেনি। আমরা আশা করছি, খুব শীঘ্রই আমাদের ক্লায়েন্ট বেকসুর খালাস পাবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আসামী পক্ষের আইনজীবী আরও বলেন, এ মামলার পরবর্তি তারিখ ৩রা জুলাই । সেদিন আরও অনেক সাক্ষী আসবে, আমরা তাদেরও জেরা করবো।
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কারাগার থেকে কঠোর নিরাপত্তায় জাকির খানকে নারায়ণগঞ্জ আদালতে নিয়ে আসে পুলিশ। জাকির খানকে কোর্টে আনার সংবাদে সকাল থেকে আদালত পাড়ায় জড়ো হয় জাকির খানের সমর্থকেরা। এজন্য আদালত পাড়ায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এখন পর্যন্ত মোট ৮জন সাক্ষী জাকির খানের বিরুদ্ধে স্বাক্ষ্য প্রদান করেছে।
প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারী গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন ব্যবসায়ী নেতা সাব্বির আলম খন্দকার। এ হত্যাকান্ডের পর তার বড় ভাই তৈমূর আলম বাদি হয়ে ১৭ জনকে আসামী করে ফতুল্লা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর মোট ৯ জন তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়। পরবর্তীতে মামলাটি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) স্থানান্তর করা হয়।
সিআইডির এএসপি মহিউদ্দিন দশম তদন্তকারী কর্মকর্তা দীর্ঘ প্রায় ৩৪ মাস তদন্ত শেষে তিনি ২০০৬ সালের ৮ জানুয়ারী আদালতে ৮ জনকে আসামী করে চার্জশীট দাখিল করেন। এতে মামলা থেকে গিয়াসউদ্দিন, তার শ্যালক জুয়েল, শাহীনকে অব্যাহতি দিয়ে সাবেক ছাত্রদল সভাপতি জাকির খান, তার দুই ভাই জিকু খান, মামুন খানসহ মোট ৮ জনকে আসামী উল্লেখ করা হয়।

Related Articles

Back to top button