কে হচ্ছে বন্দর উপজেলার চেয়ারম্যান
খবর নারায়ণগঞ্জ.কম: আসন্ন বন্দর উপজেলা নির্বাচনে ৩ চেয়ারম্যান প্রার্থীকে নিয়ে ভোটারদেরমধ্যে চলছে নানা সমিকরন। আগামী ৮ মার্চ ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে সিধান্ত দিবেন কে হচ্ছে বন্দর উপজেলার হচ্ছে বন্দর উপজেলার চেয়ারম্যান।
বিগত বন্দর উপজেলা নির্বাচনে বিনাভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়া বীরমুক্তিযোদ্ধা এম এ রশিদের চেয়ারে এবার ভাগ বসিয়েছেন জেলা জাতীয় পার্টির নেতা ও মুছাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাকসুদ এবং সাবেক বিএনপি নেতা ও বন্দর উপজেলার সাবেক দুইবারের চেয়ারম্যান আতাউর রহমা নমুকুল।
তাই বিগত নির্বাচনের মত এবার সহজেই চেয়ারম্যানের আসনটি পাচ্ছেন না বীরমুক্তিযোদ্ধা এম এ রশিদ। এখন অপেক্ষা করতে হবে ভোটাদের সিধান্তের উপরে।
এদিকে নারায়ণগঞ্জে আওয়ামীলীগ ও জাতীয় পার্টির রাজনীতি একই পরিবারের নিয়ন্ত্রনে থাকায় দুই দলের নেতাকর্মীরা রাজনৈতিক কর্মকান্ড চালান প্রায় একই। ফলে এবারের নির্বাচনেবন্দর উপজেলার আওয়ামীলীগ ও জাতীয়পার্টির ভোট ভাগবাটোয়ারা হবে দুই ভাগে। সেই হিসেবে ধারনা করা হচ্ছে বন্দর উপজেলা বিএনপির ভোট যাচ্ছে আতাউর রহমান মুকুলের চিংড়ি প্রতিকে।
বন্দর উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে দলমত নির্বিশেষে সকলের কাছে বেশ প্রিয় একজন ব্যক্তি হিসেবে নিজের অবধান ধরে রাখতে কোন কারপন্যতা করেননি আতাউর রহমান মুকুল।
অন্যদিকে, বন্দর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা এম এ রশিদ বিগত নির্বাচনে বিনা প্রতিদন্ডিতায় চেয়ারম্যান হওয়ার পরও সাবেক চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুলের জনপ্রিয়তায় এতোটুকু আঁচ লাগাতে পারনি।
আর মুছাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাকসুদ এবারের নির্বাচনে বীরমুক্তিযোদ্ধা এম এ রশিদের ভোটে ভাগ বসাচ্ছেন। এর ফলে নির্বাচনে জয়ের মালা ছিনিয়ে আনতে বীরমুক্তিযোদ্ধা এম এ রশিদকেঅনেক কাঠ কয়লা পুড়তে হতে পারে।
এদিকে, বন্দর উপজেলার নির্বাচনে প্রার্থীদের নিয়ে ভোটাদের আগ্রহের কমতি নেই। উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের আওতাধীন বিভিন্ন চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সর্বরেই চলছে নির্বাচনী আমেজ।
ভোটারদের ভাষ্যমতে, ভোট আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার সেটা যদি সঠিক ভাবে প্রয়োগ করতে পারি তাহলে আমাদের পছন্দের প্রার্থী কে অবশ্যইজয়ের মালা পরাতে পারবো। যাকে আমরা সব সময় কাছে পাই, যিনি সব সময় আমাদের উন্নয়নে পাশে ছিলো তাকেই আমরা ভোট দিবো। নির্বাচন আসলেই যারা অতিথি পাখির ন্যায় আমাদের কাছে ভোট চাইতেচলে আসে তারা আমাদের কাছে খুবই পরিচিত। যারা নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর আমাদের কাছে সোনার হরিন হয়ে যায় আর যাই হউক তাদেরকে কখনই ভোট দিবো না।
উলেখ্য, আগামী ৮ মে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদের প্রথম ধাপের নির্বাচন। ঐদিন নারায়ণগঞ্জ বন্দর উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহন করেছেন বন্দর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা এম এ রশিদ, জেলা জাতীয় পার্টির নেতা ও মুছাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাকসুদ এবং সাবেক বিএনপি নেতা ও বন্দর উপজেলার সাবেক দুইবারের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুল।


