রানাপ্লাজার ভবন ধসে ১১৩৬ শ্রমিকের মত্যুর জন্য দায়ী সংশ্লিষ্টদের শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন
খবর নারায়ণগঞ্জ.কম :
রানাপ্লাজা ভবস ধ্বসে ১১৩৬ জন শ্রমিকের মৃত্যুর জন্য দায়ী সোহেল রানার সর্বোচ্চ শাস্তি, সরকারি তদারককারী কর্মকর্তাদের শাস্তি, আইএলও কনভনশন ১২, ১৫৫, ১৮৭ ধারা মোতাবেক আজীবন আয়ের মানদণ্ড ক্ষতিপূরণ আইন করা, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং রহিমা ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্স লিমিটেড এর শ্রমিক হত্যার জন্য দায়ী মালিককে গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রট নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে সোমবার সকাল ১১ টায় নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি সেলিম মাহমুদের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখনে সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি আবু নাঈম খান বিপ্লব, রি-রোলিং স্টিল মিলস শ্রমিক ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক এস এম কাদির, গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শরীফ, গার্মটস শ্রমিক ফ্রন্ট সিদ্ধিরগঞ্জ থানার সভাপতি রুহুল আমিন সোহাগ, কাঁচপুর শিল্পাঞ্চল শাখার সহ-সভাপতি আনোয়ার খান, গাবতলী পুলিশ লাইন শাখার সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম।
নেতৃবৃন্দ বলেন, রানাপ্লাজা ধ্বসের ১০ বছর অতিক্রম হয়েছে। রানাপ্লাজা ধ্বসে ১১৩৬ জন শ্রমিক মত্যুবরণ করে। নেতৃবৃন্দ রানা প্লাজা ধ্বসে শ্রমিকের মত্যুকে মালিকের অবহেলা জনিত হত্যাকাণ্ড আখ্যা দিয়ে বলেন, মানুষর প্রত্যাশা ছিল এঘটনার পর আর কোন শ্রমিক মালিকের অতি মুনাফার লোভে নির্মম মত্যুর শিকার হবে না। কিন্তু এ মর্মান্তিক ঘটনায় মালিক ও সরকারর কোন শিক্ষা হয়নি। প্রয়াজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় এখনও কারখানায় অগ্নিকাণ্ড, বয়লার বিষ্ফোরণে শ্রমিকের মৃত্যু হচ্ছে। মত্যু হলে শ্রমিকের ক্ষতিপূরণ মাত্র ২ লাখ টাকা। মালিক ও সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব প্রাপ্তদর শাস্তির কোন যথাযথ আইন নেই। শ্রম আইন সংশাধন কর আইএলও কনভনশন অনুযায়ী আজীবন আয়ের মানদণ্ড ক্ষতিপূরণ আইন করতে হব।
নেতৃবৃন্দ আরও বলন, রানা প্লাজা ভবনে ৫টি গার্মেন্টস ছিল। ভবন নির্মাণ ও গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠা-পরিচালনায় সরকারি তদারকি সংস্থা আছে। রানা প্লাজা ভবন মালিক সোহেল রানা জেলে থাকলেও কোন গার্মেন্টস মালিক বা সরকারি তদারকি সংস্থার কেউ কারাগারে নেই। ভবন মালিক ছাড়া আসামি সকল জামিন আছ। বিচার কাজ দীর্ঘসূত্রিতা চলছ। ভবন মালিকও এখন জামিন নয়ার পাঁয়তারা করছে। অতীত ভবন ধস বা অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কারো শাস্তি হয়নি।
নেতৃবৃন্দ বলন, রপগঞ্জর ভুলতায় অবস্থিত রহিমা ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লক্স লিমিটড চুল্লি বিষ্ফারণ অগিদগ্ধ হয় ইতিমধ্য ৬ জন শ্রমিক মত্যুবরণ করছ। ২ জন আশঙ্কাজনকভাব শখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারী ইন্সটিটিউট মত্যুর সাথ পাঞ্জা লড়ছ। গত বহস্পতিবার বিকাল এ ঘটনা ঘট। উচ ঝুঁকিপূর্ণ স্টিল এবং রি-রালিং মিলগুলাত য ধরণর সফটি ব্যবস্থা থাকা দরকার, শ্রমিকদর সফটি পাশাক থাকার কথা এর কানটাই এখান ছিল না। অগি নির্বাপনরও কান ব্যবস্থা ছিল না। ছাড়পত্র ছিল না বলে কলকারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তর জানিয়ছ। বাস্তব মালিকর অতি মুনাফার লোভ, অবহলা ও দায়িত্বহীনতার কারণে এ ঘটনা ঘটছ। এটাক দুর্ঘটনা বলা যায় না, এটা হত্যাকাণ্ড। অবিলম্ব মালিকক গ্রপ্তার ও সর্বাচ শাস্তি দিতে হবে।
নেতৃবৃন্দ রানাপ্লাজা, তাজরীন গার্মটস, টাম্পাকা ফয়লস, সেজান জুস, বি এম কটইনার ডিপা, রহিমা ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্সসহ সমস্ত ভবন ধ্বস ও অগ্নিকান্ডে জন্য মালিকের অতিমুনাফা লোভ, সরকারি তদারকি সংস্থার দ্বায়িত্বহীনতাক দায়ী কর এটাক হত্যাকাণ্ড আখ্যায়িত কর তাদর সর্বাচ শাস্তির দাবি করন এবং এর জন্য প্রয়াজনে আইন সংশোধন করার কথা বলেন।


