সামাজিক প্রতিরোধ কমিটির সাথে মহিলা পরিষদ’র মতবিনিময় সভা


Jahid প্রকাশের সময় : অক্টোবর ১৩, ২০২৬, ১০:৩২ অপরাহ্ন / ০ Views
সামাজিক প্রতিরোধ কমিটির সাথে মহিলা পরিষদ’র মতবিনিময় সভা

বিশেষ প্রতিনিধি :  নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ক সামাজিক প্রতিরোধ কমিটির সাথে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মঙ্গলবার ১৩ অক্টোবর বিকাল ৪টায় নারায়ণগঞ্জ শহরের ১৮ নং নবাব সলিমুল্লাহ রোডস্থ সংগঠন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ কেন্দ্রীয় পাঠাগার ও গবেষণা সম্পাদক ও নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার জেলা সভাপতি রীনা আহমেদ।

সুচিন্তিত মতামত ব্যক্ত করেন নারায়ণগঞ্জ জেলার স্বনামধন্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিউর রাব্বি, বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক হালিম আজাদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ভবানী শংকর রায়, রাজনীতিবিদ হাফিজুল ইসলাম,  সুজনের সভাপতি ধীমান সাহা জুয়েল, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এডভোকেট জাহিদুল হক দীপু, সামাজিক সংগঠক গোবিন্দ সাহা, মুকাভিনয় শিল্পী জহিরুল ইসলাম মিন্টু, ব্যবসায়ী শিশির চক্রবর্তী, জেলার আন্দোলন সম্পাদক সাহানারা বেগম।

উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি প্রীতিকণা দাস ও কৃষ্ণা ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক রহিমা খাতুন, সহ-সাধারণ সম্পাদক শোভা সাহা, সংগঠন সম্পাদক কানিজ ফাতেমা, সদস্য ফাহমিদা আজাদ, প্রোগ্রাম এক্সিকিউটিভ সুজাতা আফরোজ, সদস্য ফাহমিদা আজাদ, রাশিদা বেগম ও লিপি সরকার।

সামাজিক প্রতিরোধ কমিটির কার্যক্রম ও সাম্প্রতিক সময়ে নারায়ণগঞ্জসহ সারা দেশে সংঘটিত নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মানিত অতিথিবৃন্দ বলেন – সামাজিক প্রতিরোধ কমিটির ভুমিকা ও কার্যক্রম আরো বৃদ্ধি করতে হবে। কুমিল্লার দুটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সামাজিক ভয়াবহতা নিয়ে ভাবতে। বিচার বিভাগ ও প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা কেন? দ্রুত বিচার করতে হবে। বর্তমানে সামাজিক অবক্ষয় প্রতিরোধে কাজ করতে হবে। শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রতি আঘাত। কেন? যারা আঘাত করছে, তারা এই বিষয়ে যেমন জ্ঞান রাখে না, যারা প্রতিবাদ করে তাদের অনেকেও চর্চা করে না। ধর্মীয় গোঁড়ামি ও পোশাক একধরণের সামাজিক বাঁধা । এই বাঁধা দুর করতে হবে। অনেক নারী পরিবার ও সমাজের সাথে লড়াই করে শিক্ষা ও কর্মে এগিয়ে যাচ্ছে। এই বিষয়গুলো ভাবতে হবে। শিক্ষা ও সংস্কৃতির চর্চা, নৈতিকতার শিক্ষা, মুল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে। সমাজের নির্যাতিতরা কিভাবে সহযোগীতা পাবে, সে বিষয়ে মহিলা পরিষদকে ব্যাপক প্রচারণা চালাতে হবে। সরকারের প্রতি প্রেশার গ্রুপ হিসেবে কাজ করতে হবে।