তাজা খবরথানার সংবাদনারায়ানগঞ্জ সদর থানাশীর্ষ সংবাদসম্পাদকের পছন্দ

ডিসি রায়হান কবিরের হস্তক্ষেপে ফতুল্লার অত্যন্ত ব্যস্ততম বিপজ্জনক সড়কের ভোগান্তি দূর

খবর নারায়ণগঞ্জ.কম: মাসের পর মাস চলাচলের অনুপযোগী হয়ে থাকা ফতুল্লার একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম সড়ক মেরামতের নির্দেশ দিয়ে হাজারো মানুষের ভোগান্তি দূর করলেন জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির।

নারায়ণগঞ্জ সদরের ফতুল্লা ইউনিয়নের চাষাড়া টু সাইনবোর্ড লিংক রোড থেকে বৃহত্তর ইসদাইর প্রবেশের রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে ভেঙে বিপজ্জনক অবস্থায় ছিল। এ কারণে প্রতিদিন রিকশা উল্টে যাওয়া, গাড়ির বাম্পার ভাঙা এবং ড্রেনের স্লাবে ধাক্কা লেগে প্রতিদিনই দুর্ঘটনা ঘটে যাচ্ছিল।

রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। এ পথে তিনটি স্কুল থাকায় শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে চরম অসুবিধা হচ্ছিল। গত পাঁচ-ছয় মাস ধরে এ অবস্থা চললেও কেউ মেরামতের উদ্যোগ নেয়নি বলে স্থানীয়রা জানান।

গতকাল কার্যালয়ে যাওয়ার পথে রাস্তাটি জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবিরের নজরে পড়ে। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে জেলা প্রশাসনের নিজস্ব ফান্ড থেকে রাস্তাটি দ্রুত মেরামত করে চলাচলের উপযোগী করার নির্দেশ দেন। নির্দেশের পরপরই মঙ্গলবার ৩০-৬-২৬ ইং সকালে রাস্তাটি মেরামতের কাজ শুরু হয় এবং খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে চলাচলের উপযোগী করে গড়ে তোলার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কাজটি অত্যন্ত টেকসই ভাবে করা হচ্ছে রড, সিমেন্ট, ইটের সুরকি এবং বালু দিয়ে ঢালাই করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে মুঠোফোনে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোঃ রায়হান কবির কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, জনগণের দুর্ভোগ লাঘব করাই প্রশাসনের প্রথম ও প্রধান কাজ। একটি রাস্তার কারণে প্রতিদিন শিক্ষার্থী, রিকশাচালক ও সাধারণ মানুষ যদি কষ্ট পায়, তবে সেটি অবিলম্বে সমাধান করা অত্যন্ত জরুরি। জনকল্যাণ ও জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েই আমরা কাজ করছি। এই রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন হাজারো স্কুলছাত্রছাত্রী যাতায়াত করে।তাই সবার কথা চিন্তা করে দ্রুতনির্দেশনা প্রদান করি সড়ক টি সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করে তোলার জন্য।

জেলা প্রশাসকের নির্দেশের পর দ্রুত সময়ের মধ্যে রাস্তাটি মেরামতের কাজ ধরায় এলাকাবাসী ও ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তারা জেলা প্রশাসকের এ মানবিক উদ্যোগের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং অসংখ্য ধন্যবাদ জানান ।

এলাকাবাসীর ভাষ্য, জনবান্ধব প্রশাসনের এমন উদ্যোগই জনগণের আস্থা বাড়ায়।এবং আমরা এলাকাবাসী জেলা প্রশাসকের কাছে চির কৃতজ্ঞ।

Related Articles

Back to top button