তাজা খবরথানার সংবাদনারায়ানগঞ্জ সদর থানামহানগররাজনীতিশীর্ষ সংবাদসম্পাদকের পছন্দ

বাসদ নারায়ণগঞ্জ জেলার বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : রবিবার ৪ জানুয়ারি বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ নারায়ণগঞ্জ জেলার উদ্যোগে বিকাল ৪ টায় নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে  সমাবেশ ও সমাবেশ পরবর্তীতে মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাসদ নারায়ণগঞ্জ জেলার সদস্য সচিব আবু নাঈম খান বিপ্লব, বক্তব্য রাখেন বাসদ নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সদস্য ও গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্ট জেলার সভাপতি সেলিম মাহমুদ, রি-রোলিং স্টিল মিলস শ্রমিক ফ্রন্ট জেলার সাংগঠিক সম্পাদক এস এম কাদির, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নারায়ণগঞ্জ জেলার আহ্বায়ক প্রদীপ সরকার, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম জেলার সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আক্তার।

নেতৃবৃন্দ বলেন, জাতিসংঘ সনদ ও আন্তর্জাতিক নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে গতকাল সকালে ভেনেজুয়েলায় নির্মম আক্রমণ পরিচালনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। রাজধানী কারাকাসসহ দেশটির বিভিন্ন স্থানে বোমা বর্ষণ করা হয়েছে। অপহরণ করা হয়েছে দেশটির প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে। এখন পর্যন্ত তাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। ভেনেজুয়েলার তেল ও খনিজসম্পদ দখল করার হীন উদ্দেশ্য থেকেই এই আক্রমণ করা হয়েছে। এই আক্রমণের মাধ্যমে তারা মাদুরো সরকারকে উচ্ছেদ করে মার্কিন অনুগত পুতুল সরকার ক্ষমতায় বসিয়ে ভেনেজুয়েলার তেলেরও জ্বালানি সম্পদকে লুটপাটের ক্ষেত্রে পরিণত করতে চায়।তাই কারাকাসের স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এই আগ্রাসন জাতিসংঘ সনদ, আন্তর্জাতিক আইন এবং সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে স্বাধীনতার সর্বজনস্বীকৃত নীতিমালার চরম লঙ্ঘন। এ ধরনের সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে ফেলবে এবং লক্ষ লক্ষ ভেনেজুয়েলাবাসীর জীবন বিপন্ন করবে।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, ২০০৯ সালে হুগো শ্যাভেজের নেতৃত্বে ভেনেজুয়েলায় সরকার গঠিত হওয়ার পর দেশটি মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী শৃঙ্খল ছিন্ন করে স্বাধীন জাতীয় অর্থনীতি গড়ে তোলে এবং নিজেদের তেল সম্পদসহ অন্যান্য খনিজ সম্পদ জাতীয়করণ করে। শ্যাভেজের মৃত্যুর পর মাদুরো সরকারও সেই নীতির ধারবাহিকতায় জাতীয় স্বার্থকে সমুন্নত রাখার সংগ্রাম করে যাচ্ছে। কথিত মাদকের অজুহাতে এই হামলার প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো ভেনেজুয়েলার তেল ও খনিজ সম্পদ দখল করা এবং প্রতিক্রিয়াশীল ধনিক-অলিগার শক্তির সঙ্গে জোট বেঁধে জোরপূর্বক সরকার পরিবর্তন চাপিয়ে দেয়া।

নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে এই হামলা বন্ধ করা এবং প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীর নিঃশর্তমুক্তি দাবি করেন।

Related Articles

Back to top button