তাজা খবরথানার সংবাদনারায়ানগঞ্জ সদর থানামহানগররাজনীতিশীর্ষ সংবাদসম্পাদকের পছন্দ
মনোনয়ন বঞ্চিতরা এখন মডেল মাসুদের জন্য বিষফোঁড়া

খবর নারায়ণগঞ্জ.কম:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নারায়ণগঞ্জ জেলায় প্রতিটি আসনেই বিভক্তির আকার বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনকে ঘিরে। কারন দলের দুঃসময়ে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহন করার অপরাধে যারা স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের দুঃশাসনের শিকার হয়েছে তারাই আজ মনোনয়ন বঞ্চিত।
আর যাকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে গত ১৭ বছর দলে তার ছিটেফোটা অবদান দেখা যায়নি। উল্টো স্বৈরাচারের সাথে আাতাঁত করে নিজের আখের গুছিয়েছেন দিব্বি আরামে। তবে সুকৌশলে ৫ আগষ্টের পর ওয়ানম্যান আর্মি খ্যাত কিছু বিএনপির নেতাদের নিয়ে নানা সভা সমাবেশ করে দলীয় নেতাদের দৃষ্টিতে আসার চেষ্টা করেছেন। কারন তার টার্গেট একটাই নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের মনোনয়ন ছিনিয়ে আনা।
এদিকে, দলীয় নেতাদের নানা প্রশ্নের ধু¤্রজাল থেকে রেহাই পেতে গত ২৪ অক্টোবর বিএনপির কেন্দ্রীয় অফিসে ঘটা করে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রাথমিক সদস্য পদ বাগিয়ে আনেন মডেল মাসুদ। এরপর তিনি শক্তিশালী ভাবে মনোনয়ন নেয়ার জন্য রাজপথে বিভিন্ন সভাসমাবেশ করতে থাকেন। গনেশ উল্টে যাওয়ার মত গত ৩ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের প্রাথমিক প্রার্থী হিসেবে দলীয় সমর্থন হাতিয়ে নেন।
এরপর থেকে সুবিধাবাদী অনেক নেতারাই তার পিছু ছুটতে শুরু করে কিন্তু শুরু থেকেই দলের হেভীওয়েট নেতাদের নিজের ছায়াতলে নিতে দেন ব্যর্থতার পরিচয়, শুরু করেন নির্বাচনী প্রচার প্রচারনা। তবে তার প্রচারনায় এবং আগামী নির্বাচনে প্রধান বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মনোনয়ন বঞ্চিত বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য প্রয়াত জালাল হাজী পরিবারের সদস্য সাবেক সাংসদ ও নির্বাহী কমিটির সদস্য এ্যাড. আবুল কালাম, মহানগর বিএনপির আহবায়ক এ্যাড. সাখাওয়াত হোসেন খান, যুগ্ম-আহবায়ক আবুল কাউছার আশা ও বিশিষ্ট শিল্পপতি এবং মহানগর বিএনপির নেতা আবু জাফর আহম্মেদ বাবুল, জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী রহিমা শরীফ মায়া আর তাদের সমর্থকরা।
এতেই টনক নড়তে শুরু করে মডেল মাসুদের। কারন মডেল মাসুদ যেকোন কর্মসূচি হাতে দিলেই খরচা যাচ্ছে লাখ টাকা কিন্তু মনোনয়ন বঞ্চিত নেতারা কোন কর্মসূচি ডাক দিলেই নেতাকর্মীদের আগমনে সভা সমাবেশ জনসমুদ্রে পরিণত হয়, আর শ্লোগান থাকে “টাকা পয়সা দুই দিন ভালবাসা চিরদিন”।
এদিকে মডেল মাসুদ অদৃশ্য শক্তির বলে সাময়িকভাবে কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে হয়ে উঠেছেন আস্থাভাজন। আর সেই সুযোগে নিজের অবস্থান শক্তিশালী করতেই আওয়ামীলীগের সাথে আতাঁত করার অপরাধে দল থেকে বহিষ্কৃত হওয়া নেতাদের বহিষ্কার আদেশ তুলে আনছেন। করছেন ধারাবাহিকতার সহিত নানা সভাসমাবেশ কিন্তু তবুও মনোনয়ন বঞ্চিত নেতাদের কর্মী-সমর্থকদের জনসমুদ্র ঠেকাতে পারছেন না। বর্তমান মডেল মাসুদের জন্য মনোনয়ন বঞ্চিতরা হয়ে উঠেছেন বিষফোঁড়া।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নারায়ণগঞ্জ জেলায় প্রতিটি আসনেই বিভক্তির আকার বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনকে ঘিরে। কারন দলের দুঃসময়ে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহন করার অপরাধে যারা স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের দুঃশাসনের শিকার হয়েছে তারাই আজ মনোনয়ন বঞ্চিত।
আর যাকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে গত ১৭ বছর দলে তার ছিটেফোটা অবদান দেখা যায়নি। উল্টো স্বৈরাচারের সাথে আাতাঁত করে নিজের আখের গুছিয়েছেন দিব্বি আরামে। তবে সুকৌশলে ৫ আগষ্টের পর ওয়ানম্যান আর্মি খ্যাত কিছু বিএনপির নেতাদের নিয়ে নানা সভা সমাবেশ করে দলীয় নেতাদের দৃষ্টিতে আসার চেষ্টা করেছেন। কারন তার টার্গেট একটাই নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের মনোনয়ন ছিনিয়ে আনা।
এদিকে, দলীয় নেতাদের নানা প্রশ্নের ধু¤্রজাল থেকে রেহাই পেতে গত ২৪ অক্টোবর বিএনপির কেন্দ্রীয় অফিসে ঘটা করে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রাথমিক সদস্য পদ বাগিয়ে আনেন মডেল মাসুদ। এরপর তিনি শক্তিশালী ভাবে মনোনয়ন নেয়ার জন্য রাজপথে বিভিন্ন সভাসমাবেশ করতে থাকেন। গনেশ উল্টে যাওয়ার মত গত ৩ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের প্রাথমিক প্রার্থী হিসেবে দলীয় সমর্থন হাতিয়ে নেন।
এরপর থেকে সুবিধাবাদী অনেক নেতারাই তার পিছু ছুটতে শুরু করে কিন্তু শুরু থেকেই দলের হেভীওয়েট নেতাদের নিজের ছায়াতলে নিতে দেন ব্যর্থতার পরিচয়, শুরু করেন নির্বাচনী প্রচার প্রচারনা। তবে তার প্রচারনায় এবং আগামী নির্বাচনে প্রধান বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মনোনয়ন বঞ্চিত বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য প্রয়াত জালাল হাজী পরিবারের সদস্য সাবেক সাংসদ ও নির্বাহী কমিটির সদস্য এ্যাড. আবুল কালাম, মহানগর বিএনপির আহবায়ক এ্যাড. সাখাওয়াত হোসেন খান, যুগ্ম-আহবায়ক আবুল কাউছার আশা ও বিশিষ্ট শিল্পপতি এবং মহানগর বিএনপির নেতা আবু জাফর আহম্মেদ বাবুল, জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী রহিমা শরীফ মায়া আর তাদের সমর্থকরা।
এতেই টনক নড়তে শুরু করে মডেল মাসুদের। কারন মডেল মাসুদ যেকোন কর্মসূচি হাতে দিলেই খরচা যাচ্ছে লাখ টাকা কিন্তু মনোনয়ন বঞ্চিত নেতারা কোন কর্মসূচি ডাক দিলেই নেতাকর্মীদের আগমনে সভা সমাবেশ জনসমুদ্রে পরিণত হয়, আর শ্লোগান থাকে “টাকা পয়সা দুই দিন ভালবাসা চিরদিন”।
এদিকে মডেল মাসুদ অদৃশ্য শক্তির বলে সাময়িকভাবে কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে হয়ে উঠেছেন আস্থাভাজন। আর সেই সুযোগে নিজের অবস্থান শক্তিশালী করতেই আওয়ামীলীগের সাথে আতাঁত করার অপরাধে দল থেকে বহিষ্কৃত হওয়া নেতাদের বহিষ্কার আদেশ তুলে আনছেন। করছেন ধারাবাহিকতার সহিত নানা সভাসমাবেশ কিন্তু তবুও মনোনয়ন বঞ্চিত নেতাদের কর্মী-সমর্থকদের জনসমুদ্র ঠেকাতে পারছেন না। বর্তমান মডেল মাসুদের জন্য মনোনয়ন বঞ্চিতরা হয়ে উঠেছেন বিষফোঁড়া।


