তাজা খবরথানার সংবাদনারায়ানগঞ্জ সদর থানামহানগরশীর্ষ সংবাদসম্পাদকের পছন্দ

তথ্য প্রযুক্তির যুগে সাক্ষরতা অর্জনে ডিজিটালাইজেশন অত্যাবশ্যক – আনন্দধাম 

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
আনন্দধামের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে “ডিজিটাল যুগে সাক্ষরতা প্রচার”- শীর্ষক এক  আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
আনন্দধামের নির্বাহী চেয়ারম্যান হাসিনা রহমান সিমুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে বক্তাগন আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উৎযাপনের প্রেক্ষাপট বর্ননা করে  সর্বস্তরে শিক্ষার  প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব  আরোপ করে বক্তব্য প্রদান করেন। ইউনেস্কোর মতে সাক্ষরতার সংগা হচ্ছে, ব্যক্তি নিজ ভাষায় সহজ ও ছোট বাক্য পড়তে পারবে, নিজ ভাষায় সহজ ও ছোট বাক্য লিখতে পারবে, দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ হিসাব-নিকাশ করতে পারবে।  তথ্য প্রযুক্তির যুগে সাক্ষরতা অর্জনে ডিজিটালাইজেশন অত্যাবশ্যক।
নারায়ণগঞ্জের গ্রীন আপেল রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক হিসেবে  যুক্তরাজ্যে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন আনন্দধামের প্রতিষ্ঠাতা তানভীর হায়দার খান। অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন  আনন্দধামের অতিরিক্ত চেয়ারম্যান শাহরিয়ার মো: মারুফ,  মো: শাহ আলম, বাবু শ্যামল দত্ত, মো: মোতালেব সানি, আবদুল মজিদ মৃধা , আনোয়ার হোসেন ভূইয়া, রোমান্টিক কবি ও সাহিত্যিক  এনামুল হক প্রিন্স, কবি ডালিম জাহাঙ্গীর, বাবু শিকদার, আবদুর রহমান বাচ্চু,  রায়হান আহমেদ ভূইয়া প্রমুখ।
মুখ্য আলোচক তানভীর হায়দার খান বলেন, সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সাক্ষরতার বিকল্প নেই। যুগের পরিবর্তনের সঙ্গে শিক্ষার চাহিদা ও শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা পদ্ধতিতে বৈচিত্র্য এসেছে। একটি বৈষম্যহীন আধুনিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় সবার জন্য গণমুখী শিক্ষা প্রণয়ন, বৃত্তিমূলক শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি, উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানমূলক প্রশিক্ষণ জরুরি। আর এইগুলোর জন্যে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার অত্যাবশ্যক।
হাসিনা রহমান সিমু তার বক্তব্যে বলেন ইউনেস্কোর হিসাব অনুযায়ী,  বিশ্বব্যাপী ৭৭ কোটি ৫০ লক্ষ মানুষের মৌলিক সাক্ষরতার দক্ষতা নেই। বিশ্বের নিরক্ষর জনসংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ নারী। এই সমস্যাটি মেয়েদের জন্য শিক্ষার সুযোগের অভাব এবং কয়েকটি দেশে মেয়েদের অল্প বয়সে বিয়ে দেওয়ার প্রথার কারণে। এই বৈষম্য আমাদের দূর করতে হবে।
এখানে উল্লেখ্য যে,  আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস হল ইউনেস্কো-ঘোষিত একটি আন্তর্জাতিক দিবস। ১৯৬৭ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী এবং ১৯৭২ সাল থেকে স্বাধীন বাংলাদেশে ৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপিত হয়ে আসছে। সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সাক্ষরতার বিকল্প নেই।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ প্রতিবেদন (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪) অনুযায়ী, দেশের সাত বছর ও তদূর্ধ্ব জনগোষ্ঠীর মধ্যে সাক্ষরতার হার ৭৭.৯ ভাগ।

Related Articles

Back to top button