কিছু সুযোগ সন্ধানী মানুষ দলে মিশে ভাবমূর্তি নষ্ট করার পায়তারা করছে – রাজিব
খবর নারায়ণগঞ্জ.কম :
নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুকুল ইসলাম রাজিব বলেছেন, দীর্ঘ ১৭ বছর স্বৈরাচার ফ্যাসিবাদের আন্দোলনে যে আত্মত্যাগ আপনারা করেছেন। প্রত্যেকটা নেতাকর্মী মামলা খেয়েছেন, দিনের পর দিন জেলে খেটেছেন। পরিবার থেকে আলাদা থাকতে হয়েছে। আপনাদের আমাদের সকলের চেষ্টায় স্বৈরাচারী সরকারকে সৃষ্টিকর্তা এদেশে থেকে বিতাড়িত করেছে। যার অবদান সবচাইতে বেশি আপনাদের। তারেক রহমান বাংলাদেশকে পৃথিবীর বুকে একটি আধুনিক রাষ্ট্র ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য ৩১ দফা কর্মসূচি দিয়েছেন। এই কর্মসূচি নির্ভর করবে আপনার আমার কর্মের উপরে।
মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে হোসিয়ারী সমিতি কমিউনিটি প্রাঙ্গনে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, আমি জাতীয়তাবাদী দলের একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে আপনাদেরকে বলতে চাই, জাতীয়তাবাদী দলের হয়ে যারা কাজ করেছেন অবশ্যই আপনাদের প্রত্যেককেই রাজনৈতিক ভাবে মূল্যায়ন করা হবে। কোন অপশক্তি আমাদের এই ঐক্যের ফাটল ধরাতে পরবে না।
আপনাদের অবদানের কারনেই আজকে বাংলাদেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে। কিন্তু আমাদের যে লক্ষ্য গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা, ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া সেই কাঙ্খিত লক্ষ্যে এখনো পৌঁছাতে পারিনি। তাই আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
কিছু মানুষ রয়েছে যারা দীর্ঘ ১৭ বছর ত্যাগ শিকার করেছে, কোন অবস্থাতেই যেন দলের ভাবমূর্তি নষ্ট না হয় তেমন কর্মকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত ছিলোনা। কিন্তু দুঃখের সাথে বলতে হয়, সুযোগ সন্ধানী লোকজন আমাদের কিছু দুর্বলতার কারণে আমাদের সাথে মিশে জনগণের মাঝে বিএনপির ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছে, সে বিষয়ে সবাইকে সর্তক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
এসময় নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নির্বাচিত হওয়ায় জেলা বিএনপির আওতাধীন সকল ইউনিটসহ যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবকদল, মৎস্যজীবী দলসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা মাসুকুল ইসলাম রাজিবের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুকুল ইসলাম রাজিবের নেতৃত্বে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের হাজারো নেতাকর্মী শহরে আনন্দ মিছিল করেছে। আনন্দ মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে চাষাড়া গোল চত্বর ঘুরে মিশন পাড়া হোসিয়ারী সমিতির সামনে এসে শেষ হয়।

