চাদাঁবাজিতে মত্ত হয়ে উঠেছে ১৮নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি-সেক্রেটারী!
ষ্টাফ রিপোর্টার: শাহজালাল সরদার নাকি বর্তমানে এনসিসি ১৮ নং ওয়ার্ডের বিএনপির সভাপতি এবং সাধারন সম্পাদক মো.আরিফ মহানগর বিএনপির কতিপয় অর্থলোভী নেতাকে দিয়ে তিনি বিএনপি নেতা বনে এখন পুরো নিতাইগঞ্জ এলাকায় চাদাঁবাজি,মাদকসহ বিভিন্ন ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছেন এমনটাই অভিযোগ স্থানীয়দের।
স্থানীয়রা আরো জানান,এনসিসি ১৮নং ওয়ার্ডের নিতাইগঞ্জ এলাকায় ইজিবাইক ষ্ট্যান্ড থেকে প্রতিদিন মোটা অংকের চাদাঁ উঠাচ্ছেন এ শাহজালাল ও আরিফ। পাশাপাশি বিভিন্ন আটা-ময়দার মিল হতে পুর্বে যারা পুরাতন প্লাষ্টিক ও চটের বস্তাগুলো অর্থের বিনিময়ে সংগ্রহ করতেন তাদেরকে ভয়ভীতি প্রদান করে সেগুলো এখন শাহজালাল নিজেই সংগ্রহ করছেন। এছাড়াও নগরীর বাপ্পি সড়ক থেকে নিতাইগঞ্জ এলাকায় যেসকল ট্রাকগুলো লোড-আনলোড করানো হয় সেখান থেকেও প্রতিদিন কয়েক লাখ টাকা চাদাঁ উত্তোলন করছেন এ শাহজালাল। আর লোড-আনলোডের থেকে চাদাঁবাজির সাথে শ্রমিক দল নেতা অলক জড়িত রয়েছে শাহজালালের সাথে।
এনসিসি ১৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কামরুল হাসান মুন্নার ছত্রছায়ায় অনেকটা বেপরোয়া ছিলো শাহজালালের সঙ্গী ১৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারন সম্পাদক আরিফ। নারায়ণগঞ্জ এর ভাইজান কিংবা হাজী সাব খ্যাত আজমেরী ওসমানের অন্যতম সহচর হোসেন ওরফে মো. হোসেনের সহযোগি সালাউদ্দিন,তাহেরগংদের নিয়ে গোগনগর এলাকায় বর্তমানে ড্রেজার সন্ত্রাসী কার্যকলাপ শুরু করেছে নব্য এ বিএনপি নেতা শাহজালাল। এতে করে সাধারন মানুষের বাসাবাড়ির উপর দিয়ে কোন প্রকার অনুমতি না নিয়েই ড্রেজারের পাইপ প্রবেশ করিয়ে তাদেরকে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করছেন।
স্থানীয়রা জানান,নগরীর নিতাইগঞ্জে শাহজালাল সরদার তিনি এক সময়ে ছিলেন নিতাইগঞ্জ ভগবানগঞ্জ এলাকার চায়ের দোকানী। সেখানেই থেকে রাতের আধারে নেশাখোরদের দিয়ে বিভিন্ন গমের গোডাউনে গম চুরি করিয়ে আবার দিনের আলোতে কিছু ব্যবসায়ীর কাছে সেই গম বিক্রি করতেন নামমাত্র মুল্যে। এভাবেই প্রতিদিন প্রায় ১০-১৫ হাজার টাকা উপার্জন করতেন চোরাই গমের মাধ্যমে।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক নিতাইগঞ্জ ও আশপাশের অনেক সাধারন মানুষ জানান,ভগবানগঞ্জ এলাকায় একটি ট্রান্সফরমারের নিচে বসে বসে চা-বিস্কুট ও সিগারেট বিক্রি করতো এ শাহজালাল। পাশাপাশি মাদকাসক্ত ও ছিটকে ছিনতাইকারীদের সাথে সুসর্ম্পক ছিলো তার। সেই সুবাদে রাতের আধারে বিভিন্ন গোডাউন ঘেকে গম চুরি করিয়ে তা দিনের আলোতে বিক্রি করতো এ শাহজালাল। এভাবেই রাতারাতি বিপুল পরিমানে টাকার মালিক বনে যান তিনি। শেখ হাসিনা সরকারের পলায়নের পর থেকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে হঠাৎ ১৮নং ওয়ার্ডের বিএনপির সভাপতির পদটি ভাগিয়ে নেন তিনি। শাহজালালের অন্যতম সহযোগি টাকলা মাসুদ ওরফে জামাই মাসুদ এলাকার অন্যতম মাদক বিক্রেতা। ইতিপুর্বে কয়েকবার ইয়াবাসহ পুলিশের হাতে গ্রেফতারও হয়েছিলো টাকলা মাসুদ।
নিতাইগঞ্জসহ আশপাশে সাধারন মানুষের দাবী, নব্য এ নামধারী বিএনপি নেতা চাদাঁবাজি,মাদকসহ নানা অপরাধের হোতা শাহজালাল ও তার সঙ্গীয়দের অত্যাচার থেকে আমরা জেলা পুলিশ সুপার,র্যাব-১১ এবং সেনাবাহিনীর সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

