তাজা খবরথানার সংবাদফতুল্লা থানাশীর্ষ সংবাদসম্পাদকের পছন্দ

কারন ছাড়াই দুই হোটেল কর্মচারী আটক এসআই রেজাউলের ব্যর্থ ঈদ সামারী!

ষ্টাফ রিপোর্টার: কোনো প্রকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই দুই হোটেল কর্মচারীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসলেন ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক কাজী রেজাউল হক। বুধবার ১২ জুন রাত ১১ টা পাগলা বাজারে অবস্থিত সোনারগাঁ হোটেলে এ ঘটনা ঘটে।

সোনারগাঁ হোটেলের মালিক ফজলুল হক পলাশ জানান, আমি হোটেলটি দীর্ঘদিন যাবত পাগলা বাজারে সুনামের সহিত সাথে পরিচালনা করে আসছি। বর্তমানে আমার ব্যস্ততার কারনে সুজন নামের এক ব্যবসায়ীর কাছে ভাড়া দিলেও আমিই হোটেলের সার্বক্ষণিক খোঁজ খবর রাখি। বুধবার রাত ১২ টায় আমার ভাড়াটিয়া সুজন আমাকে মোবাইলে জানায়, ফতুল্লা মডেল থানার এস আই কাজী রিজাউল হক হোটেলের ক্যাশিয়ার ইমন ও প্লেট বয় রফিকে নামে দুইজন কর্মচারীকে থানায় ধরে নিয়ে গেছে। আমি এস আই কাজী রিজাউল হকের মোবাইলে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, ওসি সাহেবের নির্দেশে তাদের ধরে আনা হয়েছে।

রাত ২টায় পাগলা নয়ামাটি এলাকায় তার সাথে তার সাথে সরাসরি দেখা করে এ ব্যাপারে জানতে এস আই কাজী রিজাউল বলেন, ওসি সাহেবের নির্দেশ রাত দশটার পর পাগলা বাজারে কোনো দোকান খোলা থাকবে না। আমি রাত দশটায় হোটেল বন্ধ করে দেয়ার পরও এগারোটায় আবার হোটেল চালু করে বেচাকেনা করছে। তাই দু’জন হোটেল স্টাফকে আটক করেছি। আমি বললাম আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, সরকারী কোনো ধরনের নির্দেশনা ছাড়াই আমার হোটেল বন্ধ করবেন। আমার স্টাফদের আটক করে থানায় নিয়ে যাবেন। এখন ঈদের সময়, গাগলা বাজারের হোটেল সহ সব দোকান পাট খোলা রয়েছে। এ সময় এস আই কাজী রিজাউল হক আমার সাথে অশোভন আচরন করে, বলেন আমাকে আইন শেখান, আমি ওসি স্যারের নির্দেশে তাদের আটক করেছি। আপনার যা বলার ওসি স্যারের সাথে বলবেন।

এদিকে রাত ১০টার পর পাগলা বাজার এলাকার সকল হোটেল-রেস্তোরা বন্ধ রাখতে হবে কোন সংবাদ দেয়া হয়নি পাগলা বাজারে কোন হোটেল মালিককে। কয়েকজন হোটেল মালিক জানান, মাত্র ৪দিন পর ঈদুল আযহা অথচ রাত ১০টায় আমাদের হোটেলগুলো বন্ধ রাখতে হবে এমন কোন নির্দেশনা আমরা পাইনি। কিন্তু কেনইবা সোনারগাঁ হোটেলের দুই কর্মচারীকে থানা পুলিশ ধরে নিয়ে গেলেন তাও আমাদের কারোর বোধগম্য হয়নি। অথচ ধরে নিয়ে দুই কর্মচারীকে বৃহস্পতিবার সকালেই ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তবে অন্যান্য হোটেল কর্মচারীদের অভিমত ঈদ এসে পড়েছো তো তাই মনে হয় দারোগা সাহেব একটু ঈদ হান্টিং করতে এসেছিলেন।

Related Articles

Back to top button