তাজা খবরথানার সংবাদফতুল্লা থানাসম্পাদকের পছন্দ

ফতুল্লায় ব্যাবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা, আশঙ্কাজনক অবস্থায় আইসিওতে ভর্তি

ফতুল্লা প্রতিনিধি :
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় কুতুবপুরের নিশ্চিন্তপুর এলাকায় নির্মাণ সামগ্রী ব্যবসায়ী অনিককে হত্যার উদ্দেশ্যে অতর্কিত হামলা চালিয়েছে একদল সন্ত্রাসী।
বৃহস্পতিবার (২৯ শে ফেব্রুয়ারি) রাতে কুতুবপুরের নিশ্চিন্তপুর এলাকায় অনিকের নিজ ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে।
ব্যবসায়ী অনিকের স্ত্রী জানান ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা  আমার স্বামীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এসে দাঁড়ালো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তার উপর হামলা চালায়। এ সময় প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন আমার স্বামী। দৌড়ে কিছু দূর সামনে গিয়ে পানিতে পড়ে গেলে সন্ত্রাসীদের হাতে থাকা দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে। এক পর্যায়ে মৃত ভেবে গুরুতর আহত অবস্থায় অনিক কে ফেলে পালিয়ে যায় হামলাকারী সন্ত্রাসীরা।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের কাছ থেকে জানতে পেরে গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে  নিয়ে যাওয়া হয়। আমার স্বামী অনিককেক ঢাকা মেডিকেলের মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
তিনি আরো জানান, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাসীরা আমার স্বামীকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলাটি চালিয়েছে। কিছুদিন পুর্বে শবে বরাতের আগে গিয়ার মানিক নামে এক ব্যক্তি এসে আমার স্বামী অনিককে বলে ভাই আপনাকে মারার জন্য আমি শ্যামলের সাথে পঞ্চাশ হাজার টাকা কন করেছি। এমনকি টাকা নিয়ে খেয়ে ফেলেছি, কিন্তু আমি তো আপনাকে মারতে পারবো না । আপনি সাবধান হয়ে যান, পুনরায় অন্য কাউকে কন্ট্রাক্ট করে আপনাকে মেরে ফেলতে পারে। মানিক নেশাখোর হওয়ায় তার কথাটি আমলে নেয়নি আমার স্বামী। গতকাল রাতে আমার স্বামীকে দূর থেকে দেখিয়ে দেয়  শ্যামল তারপর পরেই অজ্ঞাতনামা অপরিচিত ১০-১২ সন্ত্রাসী বাহিনী আমার স্বামীর উপর হামলা চালায়। তিনি বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের  আইসিওতে জীবন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
এই বিষয়ে শ্যামল ও তার স্ত্রী রাবেয়া সহ অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জনের নাম উল্লেখ করে ফতুল্লা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন অনিকের স্ত্রী।
উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে অনিক ও শ্যামলের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে যার মামলা এখনো চলমান।
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ নূরে আজম মিয়া জানান অভিযোগ পেয়েছি তদন্তপূর্বক দুষিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Related Articles

Back to top button