
খবর নারায়ণগঞ্জ.কম: নারায়ণগঞ্জে তিন ভূমি অফিসে আকস্মিক পরিদর্শন করে অধিকাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারীর অনুপস্থিতিসহ নানা অনিয়ম দেখতে পান ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। এ ঘটনায় সদর, ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ জোনের দুই এসিল্যান্ডসহ ১৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।
সোমবার(৩১ আগস্ট) সকাল নয়টায় সদর ভূমি অফিসে যান ভূমি প্রতিমন্ত্রী। এ সময় পাশাপাশি অবস্থিত ফতুল্লা সার্কেল ও সিদ্ধিরগঞ্জ সার্কেল ভূমি অফিসও পরিদর্শন করেন তিনি।
শোকজ পাওয়া দুই এসিল্যান্ড হলেন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদিয়া আক্তার এবং ফতুল্লা থানা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অংমাচিং মারমা। বাকি ১৬ কর্মকর্তা-কর্মচারীর নাম-পরিচয় হল
সদর উপজেলা ভূমি অফিসের কানুনগো আব্দুস সাত্তার, সার্ভেয়ার মো. আসাদুজ্জামান, নাজির কাম ক্যাশিয়ার মাসুম মিয়া, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মাহফুজা আক্তার, সার্টিফিকেট সহকারী সাদিয়া আক্তার, চেইনম্যান মীর মোজাম্মেল হক, অফিস সহায়ক আব্দুস সালাম (রূপম), অফিস সহায়ক ইউনূস আলী, অফিস সহায়ক মোক্তার হোসেন, গাড়িচালক নাদিম হায়দার, সিদ্ধিরগঞ্জ রাজস্ব সার্কেলের কানুনগো ফারুক আলম, সার্ভেয়ার জামাল উদ্দিন, মিউটেশন কাম সার্টিফিকেট সহকারী জান্নাত হোসেন, নাজির কাজী তানজিরুল হক, অফিস সহায়ক মোকলেছ শেখ, চেইনম্যান রফিকুল ইসলাম, ফতুল্লা রাজস্ব সার্কেলের সার্ভেয়ার মিল্টন রায় ও অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক সাহাদাত।
ডিসি রায়হান কবির বলেন, সকালে তিন ভূমি অফিস পরিদর্শন করে নানা অনিয়ম ও অসংগতি খুঁজে পান প্রতিমন্ত্রী। এই পরিপ্রেক্ষিতে তিন ভূমি অফিসের দুই এসিল্যান্ডসহ ১৮ জনকে শোকজ করা হয়েছে। তাঁদের আগামী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
ডিসি আরও বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অফিসে উপস্থিত না থাকলেও অনেকের হাজিরা দেওয়া হয়ে গেছে। এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সময়মতো অফিসে উপস্থিতি, আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে জনগণকে সেবা নিশ্চিত করতে হবে।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়েছেন জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, অনিয়মের বিষয়ে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুধু শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নয়, সরকারি সেবায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানসিকতারও পরিবর্তন প্রয়োজন।
আপনার মতামত লিখুন :