
খবর নারায়ণগঞ্জ.কম: নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সীমানা বর্ধিতকরণের বিষয়ে জনমত যাচাইয়ের লক্ষ্যে সোমবার সকাল সাড়ে ১১ টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গণশুনানিতে কাশীপুরের ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ড সিটি কর্পোরেশনে নিয়ে কাশীপুরকে ছিটমহলে রূপান্তরিতের বিরুদ্ধে আপত্তি করেন ইঞ্জিনিয়ার শহীদুল ইসলাম খাঁ।
তিনি বলেন,বিভাজন করলে কোন উন্নয়ন হবে না বরঞ্চ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কাশীপুরের এই ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডটি হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী ওয়ার্ড এখানে ডায়াবেটিস হাসপাতাল, স্বনামধন্য স্কুল সহ নানাবিধ রয়েছে। আমরা বলতে চাই যদি কাশীপুরকে সিটি কর্পোরেশনের আওতায় আনায় হয় তাহলে পুরো কাশীপুর ইউনিয়নকে নিতে হবে না হলে দুইটি ওয়ার্ডকে বিভাজন ছিটমহল করে রাখলে আমরা তা মানবো না। নিলে সব না হলে কোন ওয়ার্ডকে কেটে নিতে দিবো না আমরা। একটি দেহ থেকে দুটি অঙ্গ কারো চলে গেলে সে সম্পূর্ণ মানুষ হয় না তেমনি কাশীপুরের এই দুইটি ওয়ার্ড চলে গেলে কাশীপুরের ঐতিহ্য সংস্কৃতি সব নষ্ট হয়ে যাবে।
আংশিকভাবে অন্তর্ভুক্তি করলে প্রশাসনিক জটিলতা বাড়বে। তাই কাশীপুর ইউনিয়নকে অন্তর্ভুক্ত করতে হলে পুরো ইউনিয়নকেই নিতে হবে। গণশুনানির কার্যবিবরণী স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানোর পর সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সীমানা বর্ধিতকরণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে বলে জানা গেছে।
এসময় কাশীপুরবাসির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র এড. আনোয়ার তালুকদার, জামায়াত নেতা এডভোকেট আক্তার, কাশীপুর ৫নং ওয়ার্ডের মেম্বার হাবিবুর রহমান হাবিব, কাশীপুর ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নুরুল ইসলাম লাভলু, মহানগর ছাত্রশক্তির আহবায়ক কমরেড আমিনুল ইসলাম, দুর্নীতি দমন কমিশন নারায়ণগঞ্জ জেলার দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার শহীদুল ইসলাম খাঁ, বাংলাদেশ রিপোর্টার্স ক্লাব নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার অর্থ সম্পাদক ও দৈনিক নয়া দিগন্তের ( মাল্টিমিডিয়া) জেলা প্রতিনিধি মো:সাজু হোসেন, সাংবাদিক টিটু, রাতুল শেখ, বিএনপি নেতা হালিম প্রমূখ।
আপনার মতামত লিখুন :