মডেল মাসুদের সর্বনাশের জন্য এক মনির সর্দারই যথেষ্ট

বিশেষ প্রতিনিধি : শিল্পপতি মডেল মাসুদের কাছে বিএনপির কর্মীদের বিক্রি করে দিচ্ছে বিএনপিরই এক শ্রেণির সুবিধাভোগীরা। আরও অনেক নেতাকর্মীরা অর্থের লোভ দেখিয়ে মাসুদের শিবিরে নেয়ার চেষ্টা করছেন তারা। মডেল মাসুদের পাল্লা ভারি করতে বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে মাসুদের কাছে বিক্রি করে দেয়ার চেষ্টা করছেন তারা। যার মূলেই রয়েছে মডেল মাসুদের একমাত্র বিশস্ত লোক মনির শেখ। ইতিমধ্যে বিএনপির অনেক কর্মী সমর্থকদের মাসুদের কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন। জানাগেছে, সদর-বন্দর আসনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়ন প্রত্যাশি হিসেবে নিজেকে ঘোষণা করেছেন মাসুদুজ্জামান মাসুদ, যাকে সবাই মডেল মাসুদ হিসেবেই চিনেন। ইতিমধ্যে নির্বাচনের প্রত্যাশায় সদর ও বন্দরের বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সরব উপস্থিতি রাখছেন নিজেকে। বিএনপির রাজনীতিতে সরাসরি অংশগ্রহণ না থাকলেও নিজেকে বিএনপির একজন কর্মী মনে করেন তিনি। নির্বাচনের লক্ষ্যে বিএনপির কিছু উচ্ছিষ্টভোগী ও সুবিধাবাদী নেতাকর্মীদের নিজ বলয়ে ভীড়িয়েছেন মডেল মাসুদ। যদিও মাঠ পর্যায় থেকে অভিযোগ ওঠেছে, অর্থের লোভ দেখিয়ে নেতাকর্মীদের প্রলুব্ধ করে কিনে নিচ্ছেন মডেল মাসুদ। নেতাকর্মীদের স্তরবেধে মোটা অংকের টাকা দিয়ে নেতাকর্মীরা কিনছেন মডেল মাসুদ। স্থানীয়রা আরো জানান, গেল ১৪ জুন নগরীর বরফকল মাঠে এক ভুড়িভোজের আয়োজন করে সেখানে নিজেকে মনোনয়ন প্রত্যাশি হিসেবে ঘোষণা করেন মাসুদ। এর আগে ৩০ মে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে নগর ও বন্দরের বিভিন্ন স্পটে দোয়া মাহফিল ও খিচুরী বিতরণ কর্মসূচি পালন করেন। এই কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে বিএনপি নেতাকর্মীদের টোপ গিলান। প্রতিটা স্পটে খিচুরি বিতরণ কর্মসূচির জন্য ৫ লাখ টাকা করে খরচ আয়োজক বিএনপি নেতাকর্মীদের হাতে তুলে দেন। ওই কর্মসূচিতে মডেল মাসুদের দেয়া টাকার সামান্য খরচ করে বাকি টাকা বিএনপি নেতারা তাদের পকেটে ভরে নেন। এভাবে বিএনপি নেতারা মডেল মাসুদের কাছে বিক্রি হয়ে যান। এদিকে বিএনপির যেসব নেতাকর্মীরা এখন মডেল মাসুদের আশপাশে ঘুরছেন তাদের বেশির ভাগ মডেল মাসুদের টাকায় রাজনীতি করছেন। মডেল মাসুদ দুহাতে অঢেল টাকা খরচ করে বিএনপি নেতাকর্মীদের আরো কিনতে চাইছেন। গত ১৪ জুন মডেল মাসুদের ভুড়িভোজ অনুষ্ঠানে উচ্ছিষ্টভোগী বিএনপি নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ছিল বেশ। যারা মডেল মাসুদের কাছে বিকিয়ে গেছেন সেইসব নেতাকর্মীরা এখন অন্যান্য নেতাকর্মীদের মাসুদের হাটে বিকিয়ে দিতে উৎসাহ দিচ্ছেন। বিগত সাড়ে ১৫ বছর যারা রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন এমন নেতাকর্মীদের মোটা অংকের টাকায় কেনার চেষ্টা করছেন মডেল মাসুদ। নেতৃত্বস্থানীয় মহানগর বিএনপির একজন শীর্ষ নেতাকে কেনার আপ্রাণ চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন মডেল মাসুদ। ইতিমধ্যে মডেল মাসুদের পাশে দেখা গেছে জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম রবিকে। মডেল মাসুদের সকল কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ করছেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন আনু, মহানগর বিএনপির সদস্য বিল্লাল হোসেন, মনোয়ার হোসেন শোখন, শরীফুল ইসলাম শিপলু ওরফে পাকনা শিপলু, ফারুক হোসেন, সদর থানা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক সরকার আলম, বন্দর উপজেলা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ ইব্রাহীম সহ আরও বেশকজনকে। যদিও এসব নেতাদের অধিকাংশই বিগত সাড়ে ১৫বছর রাজপথের আন্দোলন সংগ্রামে তেমন অংশগ্রহণে ছিলেন না। সম্প্রতি সদর উপজেলার আলীরটেক ইউনিয়ন এলাকায় প্রচারণায় যান মডেল মাসুদ। সেখানে মডেল মাসুদের পক্ষে গণজমায়েত করেছেন আলীরটেক ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন ও সিনিয়র সহ-সভাপতি সৈয়দ শাহিন হোসেন সরকার।
মনির শেখ সম্পর্কে জন জাধারণ বক্তব্য হচ্ছে মডেল মাসুদ মনির কে রাস্তা থেকে রাজ প্রাসাদে তুলেছে।যে মনির লুঙ্গি পড়ে থাকত,তাকে প্যান্ট পড়ানো শিখিয়েছে মডেল মাসুদ। আবার সে মনিরই মডেল মাসুদের পতনের মূল কারণ হবে, কারণ ৫ আগষ্ট ও মডেল মাসুদের রাজনীতিতে প্রবেশের পিছনে মনিরের বিশাল ভূমিকা রয়েছে যা দিয়ে মনিরের ফায়দা ই ফায়দা। মনির কে কোথা থেকে কি করছে। কি ভাবে রাজনৈতিক খরচ একলাখ করে ভাউচার পাচ লাগ হচ্ছে, ভূমি দস্যুতা সহ বহু অভিযোগ রয়েছে মনিরের নামে যা আগামীতে তুলে ধরা হবে ইনশাআল্লাহ। সর্বশেষে একাধিক অভিজ্ঞ মহল মন্তব্য করেন, মডেল মাসুদ কে বদনামের দিকে ফেলেদিতে এক মনির সর্দারই যথেষ্ট। ওর প্রভাবে কোন মুরুব্বীই সত্যটা বলতে পারে না এছাড়াও এক ফোটা মধু বিলিয়ে সে বলছে এক ড্রাম বিলিয়েছি আর তার কর্তা তাই আমলে নিচ্ছে এভাবে চলতে থাকলে বেশি দিন লাঘবে না। মনিরের প্রভাবের কাছে মডেল মাসুদের বাবার ভাই চাচাদের ও বেল নাই বলে এলাকায় জনশ্রুতি রয়েছে।

