তাজা খবরথানার সংবাদরাজনীতিশীর্ষ সংবাদসম্পাদকের পছন্দ

পরিবর্তন চায় ফতুল্লা আ’লীগ-বিএনপির তৃণমূল!

খবর নারায়ণগঞ্জ.কম:

নারায়ণগঞ্জের অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ন থানা এলাকা ফতুল্লা। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আওয়ামীলীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জামাত ইসলামীর রাজনীতি চলমান। বর্তমানে আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে চলছে অন্তঃজ্বালা আর বিএনপির রাজনীতিতে চলছে বহিঃজ্বালা। আর এমনটাই মনে করেন এখানকার রাজনৈতিক দলগুলোর তৃনমূল নেতৃবৃন্দ। উভয় দলের নেতৃত্বের পরিবর্তন আসলে ফতুল্লার রাজনীতিতে সাধারন নেতাকর্মীরা চাঙ্গা হওয়ার পাশাপাশি ফতুল্লার রাজপথে নেতা-কর্মীদের অবস্থানের ফলে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতাও বৃদ্ধি পেত। সূত্রমতে, ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের হাল ধরার জন্য একাধিক ত্যাগী নেতৃবৃন্দ প্রহর গুনছেন। তবে দলের কাউন্সিল না হওয়া পর্যন্ত ফতুল্লায় আসছে না নতুন নেতৃত্ব। আর ফতুল্লা থানা বিএনপির আহŸায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দের মাঝেই রয়েছে দলীয় কোন্দল। দলের নেতৃত্বদানকারী নেতৃবৃন্দের মধ্যে কোন্দল থাকলে এর প্রভাব তৃনমূল নেতৃত্বে প্রভাব পড়বে এটাই স্বাভাবিক। ফলে অনেকটাই বহিঃজ্বালার মধ্য দিয়ে পার করছে স্থানীয় বিএনপির রাজনীতি। ঘনিয়ে আশা দ্বাদশ নির্বাচনের আগ মুহুর্তে থানা পর্যায়ের মধ্যে দলীয় কোন্দল নিরসন করা সম্ভব না হলে বিএনপির ঘাটিঁ হিসেবে পরিচিত ফতুল্লার মাটিতে দলের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়বে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহল মনে করেন। অপরদিকে, ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের একই পদে শীর্ষ স্থানীয় একাধিক নেতৃবৃন্দ দীর্ঘদীন পদ আকড়ে থাকায় নেতৃত্ব বঞ্চিত হচ্ছে ফতুল্লার অনেক পরীক্ষিত নেতা। এছাড়া ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাইফুল্লাহ বাদল নিজেই চলাফেরা করতে পারেন না। যে কিনা নিজের চলাফেরা করতে অন্যের সাহায্য নিয়ে সে ব্যাক্তির নিয়ন্ত্রনে ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের ভবিষৎ কতটা নিরাপদ তা নিয়েও যথেষ্ট সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে দলের তৃনমূলের পক্ষ থেকে। একই থানা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এম শওকত আলী তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে কোন ধরনের বিতর্কছাড়াই নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন দীর্ঘদীন ধরে। দলের তৃনমূল থেকে শুরু করে সর্বস্তরের নেতৃবৃন্দ তার প্রতি সন্তুষ্ঠ। দক্ষ নেতৃত্বের মাধ্যমে দলকে সংগঠিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে তার। এম শওকত আলী এ প্রতিবেদককে বলেন, পদবী নয় আওয়ামীলীগকে ভালবাসি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থেকেই মৃত্যুবরন করতে চাই। তবে, তিনি অপকটে স্বীকার করেন, আমরা দীর্ঘদীন ধরে একই পদে রয়েছি। আমাদের উচিত দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার করা বাকিদের নেতৃত্ব বুজিয়ে দেওয়ার। আমরা যদি স্বেচ্ছায় এ উদ্যোগ গ্রহন না করি তাহলে চক্ষু লজ্জায়তো কেউ আমাদের বলবে না। তাই এবারের মেয়াদ শেষ হলে পরবর্তী কমিটি সম্মেলনের মাধ্যমে ত্যাগীদের হাতে তুলে দেবেন দলীয় হাই কমান্ড এমনটাই প্রত্যাশা করি। আর পরিবর্তনের বার্তা নিয়ে দীর্ঘদীন নেতৃত্ব দিয়ে আসা আমাদের মত নেতৃবৃন্দকেই এগিয়ে আসতে হবে। ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের । প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ৭ ডিসেম্বর সাইফুল্লাহ বাদলকে সভাপতি এবং শওকত আলীকে সাধারন সম্পাদক করে ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের কমিটি ঘোষনা করা হয়। অপরদিকে, চলতি বছরের ২০ জানুয়ারী জাহিদ হাসান রোজেলকে আহŸায়ক এবং শহীদুল ইসলাম টিটুকে সদস্য সচিব করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহŸায়ক কমিটি গঠন করা হয়। এর কিছুদিন পরেই আহŸায়ক এবং সদস্য সচিবের মধ্যে দলীয় কোন্দল প্রকাশ্যে ফুঁসে উঠে।

Related Articles

Back to top button