বক্তাবলী গণহত্যা দিবসে উজ্জলের বিনম্র শ্রদ্ধা
খবর নারায়ণগঞ্জ.কম: রাত পোহালেই ২৯ নভেম্বর, বক্তাবলী গণহত্যা দিবস।১৯৭১ সালে আজকের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লাস্নার প্রত্যন্ত অঞ্চল বক্তাবলী পরগনার ২২টি গ্রামে।
বর্বরোচিত ওই হামলায় প্রাণ হারান ১৩৯ জন নিরীহ মানুষ। মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাসে ২৯ নভেম্বর দিনটি নারায়ণগঞ্জবাসীর জন্য তাই বেদনাবিধুর দিন। এ দিনটি উপলক্ষে কাশীপুর ইউনিয়ণ পরিষদের ৬নং ওয়ার্ড মেম্বার ও কাশীপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিসান হায়দার উজ্জল বিনম্র শ্রদ্ধা ও গভীর শোক প্রকাশ করেন।
সোমবার (২৮শে নভেম্বর) সন্ধ্যায় গনমাধ্যমে পাঠানো একবার্তায় তিনি এ শ্রদ্ধা ও শোক জানান। শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, বুড়িগঙ্গা ও ধলেশ্বরীবেষ্টিত বক্তাবলী এলাকা মুক্তিযুদ্ধের সময় পরগনা ছিল। এখন সেটি ভেঙে তিনটি ইউনিয়ন পরিষদে রূপান্তরিত হয়েছে। শষ্যভান্ডারখ্যাত বক্তাবলীতে ১৯৭১ সালের ২৯ নভেম্বর ভোরে হানা দেয় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। কুয়াশাঘেরা দিনের শুরুই হয় পাকিস্তানিদের গুলির শব্দে। দুইটি নদীর পাড়ে গানবোট নিয়ে কয়েক পস্নাটুন সেনা হামলে পড়ে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তাঞ্চল হিসেবে পরিচিত এই অঞ্চলে।
২২টি গ্রাম থেকে নিরীহ ১৩৯ জনকে ধরে এনে নদীর পাড়ে দাঁড় করিয়ে ব্রাশ ফায়ারে হত্যা করে পাশের লক্ষ্ণীনগর গ্রামে স্তূপাকারে রাখা হয়। কারও কারও লাশ ভাসিয়ে দেওয়া হয় নদীতে। ২২টি গ্রামের বাড়িঘর গান পাউডার দিয়ে পুড়িয়ে দেয় পাক হানাদার বাহিনী।বক্তাবলি গণহত্যা দিবস উপলক্ষে সরকারিভাবে লক্ষ্ণীনগর পূর্বপাড়া কবরস্থানের পাশে বধ্যভূমিতে গড়া স্মৃতিস্তম্ভে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

