তাজা খবরথানার সংবাদফতুল্লা থানারাজনীতিশীর্ষ সংবাদসম্পাদকের পছন্দ

মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ২ পুলিশের সাক্ষ্য গ্রহন

খবর নারায়ণগ‌ঞ্জ.কম :
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়েল রিসোর্টে নারী কেলেংকারির ঘটনায় হেফাজত ইসলামের সাবেক যুগ্ম-মহাসচিব মামুনুল হকের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ধর্ষণ মামলায় আরও দুই পুলিশ কর্মকর্তার স্বাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।
রবিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুন্সী মশিয়ার রহমানের আদালতে এ সাক্ষ্য গ্রহণ হয়। আগামী ৩ অক্টোবর পরবর্তী তারিখ ধার্য করে বিজ্ঞ আদালত।
এই মামলায় আদালতে এ পর্যন্ত ১৩ জন সাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও অন্তত ত্রিশজন সাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে বলে জানা গেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে রাষ্ট্রপক্ষের নারী ও শিশু ট্রাইব্যালের আইনজীবি পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট রকিব উদ্দিন আহমেদ জানান, সকালে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আসামি মামুনুল হককে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার হতে নারায়ণগঞ্জের আদালতে আনা হয়। স্বাক্ষ্য গ্রহণের কার্যক্রম শুরুর আগে দুপুর বারোটায় তাকে বিজ্ঞ আদালতে হাজির করা হয়। এরপর এক এক করে স্বাক্ষ্য দেন সোনারগাঁও থানায় কর্মরত তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক তবিদুর রহমান ও উপ-সহকারি পরিদর্শক রাকিবুল ইসলাম উজ্জ্বল। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালতের নির্দেশে মামুনুল হককে পুনরায় কাশিমপুর কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়।
আদালত সূত্র ম‌তে, গত ১৭ জুলাই মামুনুল হকের বিরুদ্ধে পঞ্চম দফায় সাক্ষ্য দিয়েছিলেন চার্জশিটের ১১ নম্বর সাক্ষী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সোহাগ রনি ও ১২ নম্বর সাক্ষী রতন মিয়া। ৯ মে মামুনুল হকের বিরুদ্ধে চতুর্থ দফায় সাক্ষ্য দিয়েছিলেন চার্জশিটের ৯ ও ১০ নম্বর সাক্ষী যথাক্রমে নাজমুল হাসান শান্ত ও মো. শফিকুল ইসলাম। ২৫ জানুয়ারি তৃতীয় দফায় সাক্ষ্য দিয়েছিলেন সোনারগাঁ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম নান্নু, রিসোর্টের আনসার গার্ড ইসমাঈল ও রিসিপশন কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় মামুনুলের বিরুদ্ধে রয়েল রিসোর্টের সুপারভাইজার আব্দুল আজিজ, রিসিপশন কর্মকর্তা নাজমুল ইসলাম অনিক ও আনসার গার্ড রতন বড়াল সাক্ষ্য দিয়েছিলেন।
২০২১ সালের ২৪ নভেম্বর প্রথম দফায় মামুনুল হকের উপস্থিতিতে কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাত আরা ঝর্ণার সাক্ষ্য নেন আদালত। একইসঙ্গে ২০২১ সাnলের ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলায় রয়েল রিসোর্টে এক নারীকে বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠে হেফাজত নেতা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই নারী ৩০ এপ্রিল মামুনুল হককে আসামি করে সোনারগাঁও থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন।

 

Related Articles

Back to top button