ফতুল্লায় বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষ আটক ৮

ফতুল্লা প্রতিনিধি: ফতুল্লায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে তাঁতি দল ও যুবদলের মধ্যে সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ৮ জন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ব্যাপক বোমা বিস্ফোরণ গুলির ঘটনাও ঘটে। পরে যৌথবাহিনী অভিযান চালিয়ে উভয় গ্রুপের ৮ জনকে আটক করে।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে ফতুল্লার শিহাচর হাজীবাড়ি মোড় এলাকায় ফতুল্লা থানা তাঁতি দলের সভাপতি ইউনুস মাস্টার ও ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি জয়নাল আবেদীনের সঙ্গে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আটকরা হলেন কুতুবপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি জয়নাল আবেদীন, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান দোলন, আকাশ, জুয়েল, রিয়াজুল, রাজিব, জিহাদ ও রশিদ। এ সময় কৌশলে পালিয়ে যায় ফতুল্লা থানা তাঁতি দলের সভাপতি ইউনুস মাস্টার।
এ ঘটনায় আহতদের বিস্তারিত নাম-পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিহাচর হাজীবাড়ি মোড় এলাকায় ইউনুস মাস্টার ও কুতুবপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি জয়নাল আবেদীনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই কলকারখানার ওয়েস্টেজ মাল ও ভূমিদস্যুতা এবং এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।
সেই বিরোধের জের ধরে শনিবার দুপুর থেকে দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। উভয়পক্ষের সন্ত্রাসীরা ধারালো দেশীয় অস্ত্র আর হাতবোমা নিয়ে সংঘর্ষের প্রস্তুতি নেয়।
একপর্যায়ে বিকেল ৩টার সময় উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় ব্যাপক বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে ধারালো অস্ত্র হাতে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়।
এ সময় ধারালো অস্ত্র ও ইটপাটকেলের আঘাতে অন্তত ৮ জন আহত হয়। তখন ভয়ে এলাকাবাসী দৌড়ে বাড়িঘরে দরজা-জানালা বন্ধ করে আশ্রয় নেয়। ওইসময় প্রায় ১৫/২০ মিনিট এ সংঘর্ষ চলে। এরপর পুলিশ সেনাবাহিনী র্যাবসহ যৌথবাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ধাওয়া করে উভয় গ্রুপের ৮ জনকে আটক করে।
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান জানান, উভয় পক্ষের ৮ জনকে আটক করা হয়েছে।
তাদের কয়েকজনের কাছ থেকে গাজা ও হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে বিস্ফোরিত বোমার কিছু অংশ। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।



