শত্রুতার জেরে পুকুরে বিষ: নিঃস্ব মৎস্য চাষি আক্তার
আড়াই হাজার প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জ আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন ৩নং ওয়ার্ড মধ্যার চর গুদারাঘাটের পাশে অবস্থিত একটি পুকুর ইজারা নিয়েছিলেন মৎস্য চাষী মো. আক্তার হোসেন। তিনি ফতুল্লার কুতুবপুর ইউনিয়নে বসবাস করেন, এখান থেকে আড়াইহাজারে গিয়ে কোরবানির ঈদের পূর্বে ৩ লাখ টাকা চুক্তিতে এক বছরের জন্য এই পুকুর নেন। পুকুর নেওয়া পর মৎস্য চাষি আক্তার হোসেন আরও ৩ লাখ টাকা খরচ করে ১০/১২ দিন ধরে মাছের পুনা ছেড়েছেন। সব মিলিয়ে চাষি আক্তার হোসেনের ৬ লাখ টাকা খরচ হয়েছে এই পুকুরের পিছনে। তার স্বপ্ন ছিলো এই পুকুরে মাছ চাষ করে একজন বড় ধরনের উদ্যোক্তা হওয়া কিন্তু সেই স্বপ্ন মাটিতে মিশে গেলো এক রাতেই। এখন মৎস্য চাষি আক্তার হোসেন দিশাহারা হ’য়ে পড়েছেন কার কাছে যাবেন কার কাছে বিচার চাইবেন কিছুই বুঝতে পারছে না। এখন শুধু পুকুরের এই মাথা থেকে ঐ মাথায় যায় আর মরা মাছগুলো দেখে কান্না করেন, পুরো নিঃস্ব হয়ে পড়েন এই মৎস্য চাষি। এই বিষয়ে চাষি আক্তার হোসেন বলেন আমাকে তো এই এলাকার মানুষ চিনেই না তাহলে কারা এতো বড় শত্রুতা করলো, আমার মনে হয় জমির মালিক মালেশিয়া প্রবাসী মিছির আলীর সঙ্গে সত্রুতার জের ধরে এই পুকুরে বিষ প্রয়োগ করেছেন দুষ্কৃতকারীরা। সোমবার ৩০ জুন রাতে পুকুরে বিষ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে পহেলা জুলাই সকালে আমি মাছের খামারে খাদ্য দিতে এসে দেখি সব মাছ মরে ভেসে গেছে এমনি সাপ কুইচ্চাও মরে ভেসে গেছেন। এই পরিস্থিতি দেখে আমার মাথায় চক্কর মারে এরপর তাৎক্ষণিক জমির মালিক পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করি কেউ পুকুরের সামনে আসেনি। এরপর জমির মূল মালিক মালেশিয়া প্রবাসী মিছির আলীর সঙ্গে ফোনে কথা বলা হলে তিনি বলেন, আমার কিছু শত্রু আছে তারা আমার পুকুর চেয়েছিলো আমি দেয়নি এই কারণে হইতো তারা পুকুরে বিষ দিছে। শত্রুরা আমাকে ফোনে হুমকিও দিয়েছে তারা বলেছে পুকুর যদি না দেয় তাহলে আমার বাড়িঘর পুকুর সহ অন্যান্য সম্পত্তি দখল করে নিবে। যারা আমাকে হুমকি দিয়েছে তারা হলেন, সিরাজুল ইসলাম, এরশাদ, নোয়াব মিয়া ও রমজান ডাক্তার সহ তাদের সহকারীগণ। কিছু দিন আগে আমার জায়গার উপরে এসে পিকনিক করে গেছে তারা আর আমাকে হুমকি দিয়েছে। আমার মনে হচ্ছে তারাই দিয়েছে। এখন মৎস্য চাষি আক্তার হোসেন প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচার চান।


