র্যাব-১১ কর্তৃক গাইবান্ধার চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার আসামী সাজ্জাদ গ্রেফতার
প্রেস বিজ্ঞপ্তি: আসামী গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী থানাধীন লিটন মিয়া হত্যাকান্ডের অন্যতম আসামী সাজ্জাদ মিয়াকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১।
মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জের রুপগঞ্জের ডহরগাঁও এলাকা হতে আসামীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী গাইবান্ধা পলাশবাড়ি বুজরুক বিষ্ণুপুরের মো.সামসুল মিয়া ছেলে।
ও্যাবের এএসপি সনদ বড়–য়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে,গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী থানার মামলা নং-১৯, তাং- ১৯/০৬/২০২৪ খ্রিঃ, ধারা- /১৪৩/৪৪৭/৩৪১/৩২৩/৩২৬/৩০২/৩০৭/৪২৭/৫০৬/১১৪ পেনাল কোড-১৮৬০ এর এজাহারনামীয় আসামী। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় যে, বাদী ও আসামীরা পাড়া-প্রতিবেশী হওয়ায় দীর্ঘদিন যাবত তাদের মধ্যে জায়গা জমি সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধিতা চলে আসছে। এর প্রেক্ষিতে গত ১৮/০৬/২০২৪ খ্রিঃ বাদীর ছেলে লিটন মিয়া নিজ বাড়ি হতে বোর্ড বাজারের দিকে যাওয়ার সময় বিষ্ণুপুর নাম স্থানে গ্রেফতারকৃত আসামীসহ আরও ৩০/৩৫ জন আসামীরা সবাই দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে বেআইনি জনতায় দলবদ্ধ হয়ে বাদীর ছেলেকে এলোপাথাড়ি মারপিট শুরু করে এবং রক্তাক্ত জখম করে। তখন ছেলের ডাকচিৎকার শুনে বাদীর আত্মীয়-স্বজন ৭/৮ জন এগিয়ে গেলে আসামীরা বাদী পক্ষের সবাইকে গুরুতর আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে এবং ঘটনাস্থল হতে হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যায়। আঘাতপ্রাপ্তদের মধ্যে রুবেল মিয়া নামক একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় রুবেল মিয়াকে তৎক্ষণাৎ গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তার মাথায় ১২০ টি সেলাই লাগে। পরবর্তীতে ভিকটিম রুবেল মিয়ার শারীরিক অবস্থা আরো খারাপের দিকে গেলে তাকে ঢাকা মেট্রোপলিন মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালে রেফার করা হয় এবং ঐখানে দুইদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুবেল মিয়া মৃত্যুবরণ করেন। ঘটনার পর পরই মোছা রেবা বেগম বাদী হয়ে গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী থানাতে একটি গুরুতর আঘাত ও হত্যার চেষ্টা মামলা দায়ের করেন।পরবর্তীতে মামলা হওয়ার দুইদিন পর যখন ভিকটিম রুবেল মিয়া মৃত্যুবরণ করেন তখন বাদীর আবেদনক্রমে হত্যার চেষ্টা মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী’কে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


