প্রিন্ট এর তারিখঃ অক্টোবর ৮, ২০২৬, ১১:৩৩ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ অক্টোবর ৮, ২০২৬, ১১:৩২ পি.এম
আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব: নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় পাগলায় শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততায় মৃৎশিল্পীরা

খবর নারায়ণগঞ্জ.কম:
আর মাত্র কয়েকদিন পরেই সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। আগামী ১৬ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া এই উৎসবকে ঘিরে এখন ব্যস্ততার চরম শিখায় নারায়ণগঞ্জের মৃৎশিল্পীরা। বিশেষ করে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের পাগলা বাজার এলাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে মৃৎশিল্পীদের ঘরে ঘরে এখন চলছে নাওয়া-খাওয়া ভোলার জোগাড়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বুড়িগঙ্গা নদীর তীরের কারখানাগুলোতে ইতিমধ্যেই প্রায় ২০টিরও বেশি প্রতিমা তৈরির মূল কাজ অর্থাৎ কাদামাটির অবয়ব গড়ার কাজ শেষ হয়েছে। কারিগরদের হাতের নিপুণ ছোঁয়ায় রূপ পেয়েছে দেবী দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক ও গণেশ। এখন শেষ মুহূর্তে তুলির আঁচড়ে প্রতিমাগুলোকে প্রাণবন্ত করে তোলার কাজ চলছে পুরোদমে। রং, তুলি আর আলপনার ছোঁয়ায় প্রতিমাগুলোকে দৃষ্টিনন্দন করে তুলতে রাত-দিন পরিশ্রম করছেন শিল্পীরা।
প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত এক মৃৎশিল্পী জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং সবকিছু ঠিকঠাক এগোলে আগামী ১৬ অক্টোবরের পূর্বেই এখান থেকে ২০টিরও বেশি পূজামণ্ডপে প্রতিমা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কাজ শেষ করতে তারা এখন নাওয়া-খাওয়া ভুলে দেবী প্রতিমায় রঙের পরশ বুলাচ্ছেন।উল্লেখ্য, প্রতিবছরই উৎসবের আগে পাগলা বাজার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরের এই ঐতিহ্যবাহী প্রতিমা তৈরির স্থানটি পরিদর্শনে আসেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক এবং জেলা পুলিশ সুপার।
বিগত বছরগুলোর ধারাবাহিকতায় এবারও প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা এই স্থান পরিদর্শনে এসে নিরাপত্তার খোঁজখবর নেবেন এবং কাজের তদারকি করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন কারিগর ও সংশ্লিষ্ট মৃৎশিল্পীরা।উৎসবের দিন যত এগিয়ে আসছে, বুড়িগঙ্গার তীরে প্রতিমা কারিগরদের ব্যস্ততার পাশাপাশি এলাকা জুড়ে পূজা ঘিরে আনন্দ-উৎসাহও তত বাড়ছে।
Copyright © 2026 Khobor Narayanganj. All rights reserved.