নারী কেলেঙ্কারির ঘটনায় কুতুবপুরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে আন্দোলন সমাধান করতে পারেনি ইউএনও

ফতুল্লা প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আওতাধীন কুতুবপুর ইউনিয়নের দেলপাড়া এলাকার অবস্থিত স্বনামধন্য দেলপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কাজী জুয়েল রানা’র বহিষ্কার চেয়ে বিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চলমান রয়েছে। তবে এই বিষয়ে বিদ্যালয়ের সভাপতি নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ইউএনও এর কাছে স্মারক লিপি জমা দেওয়ার পরেও এখনো কোনো সমাধান করতে পারেনি ইউএনও। এই বিষয়ে কোনো সমাধান না’করায় শিক্ষার্থীরা আবারও আন্দোলনে রাস্তায় নেমেছে।
রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে দেলপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে রাস্তায় ছাত্র-ছাত্রীরা মিলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কাজী জুয়েল রানার বহিষ্কারের দাবিতে আবারও মানববন্ধন করা হয়, এর আগেও গত ৭ সেপ্টেম্বর এই বিষয় নিয়ে আন্দোলন করা হয়েছিলো। জানা যায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জুয়েল রানা নারী কেলেঙ্কারির সাথে জড়িয়ে পড়েছে যার জন্য বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে তাই শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের সুনাম রক্ষার্থে এই আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে সদর উপজেলার ইউএনও তাছলিমা শিরিন জানান, আমি দেলপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের বিষয়’টি তদন্ত করার জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সুরাইয়া আশরাফীর উপর তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছি তিনি এখনো আমাকে তদন্ত রিপোর্ট দেয়নি। শিক্ষার্থীরা আপনাকে দোষারোপ করছে আপনি নাকি তাদের অভিযোগের পরেও বিষয়’টি সমাধান করছেন না এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আমার কাছে তদন্তের রিপোর্ট না’আসলে আমি কিভাবে সমাধান করবো তবে খুব দ্রুত বিষয়’টি সমাধান করা হবে।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে দেলপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিংক কমিটির সদস্য বৃন্দরা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়’নি তারা ইউএনও এর দিকে তাকিয়ে আছে। বিদ্যালয়ের সভাপতি হিসাবে সদর উপজেলার ইউএনও যে সিদ্ধান্ত দিবে সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ করবে ম্যানেজিংক কমিটির নেতৃবৃন্দ। তবে এই বিষয়ে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট বিচার চাই সকলে।
নারী কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বহিষ্কারের দাবিতে মানববন্ধনে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্ব করেন সাজিদ আহমেদ, নাইমুল রাতুল,ওয়ালিদ প্রধান,আলিফ খান, সাকিব শিকদার ও রাহাম খান। এই বিষয়ে সাজিদ আহমেদ বলেন, আমরা আজ শিক্ষার্থীরা আবারও আন্দোলনে নেমেছি এর আগে আমাদের আন্দোলন সাময়িক স্থগিত করা হয়েছিলো কারণ উপজেলা প্রশাসন আমাদের বলেছিলো তিনদিনের মধ্যে একটা সমাধান করা হবে কিন্তু কোনো সমাধানই আসেনি তাই আমরা আবারও আন্দোলন করছি।



